📌 রাজশাহীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা সংশোধিত হেবা আইন বাতিল এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। তারা আইনটিকে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী বলে আখ্যায়িত করে গণআন্দোলনের হুমকি দিয়েছে
রাজশাহীতে বর্তমান সরকারের সংশোধিত হেবা আইন বাতিল এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা আজ শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। বাদ জুমা নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে নেতারা হেবা আইন বাতিল এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীতে বাদ জুমা নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- 📌 মিছিল সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে মণিচত্বর, রাজশাহী কলেজের সামনে ও কুমারপাড়া মোড় প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়েছে।
- 📌 বক্তারা সংশোধিত হেবা আইনকে কোরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরিয়াহবিরোধী বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং এর বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 নেতারা বলেছেন, বর্তমান সরকারের এই আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গভীর চক্রান্তের শিকার হতে পারে।
- 📌 ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক স্বৈরাচারী সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বক্তারা।
- 📌 বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এবং মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
- 📌 নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, অনতিবিলম্বে বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক এবং হেবা আইন বাতিল না হলে রাজপথে কঠোর গণআন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দিয়েছেন।
- 📌 সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী মহানগরের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমদ, জেলা শাখার সভাপতি মো. ফয়সাল হোসেন মনি, সহসভাপতি হাফেজ মাওলানা মুরশিদ আলম ফারুকী, সেক্রেটারি মো. ইসাহাক, ইসলামী যুব আন্দোলন রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি মো. হাসিবুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুফতি ইমরান হোসাইন এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি পারভেজ আকন্দসহ নেতাকর্মীরা।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা আজ শুক্রবার বাদ জুমা নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে সংশোধিত হেবা আইন বাতিল এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। মিছিলটি সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে মণিচত্বর, রাজশাহী কলেজের সামনে ও কুমারপাড়া মোড় প্রদক্ষিণ করে আবার সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়েছে। সমাবেশে নেতারা সদ্য পাস হওয়া হেবা আইনকে কোরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরিয়াহবিরোধী বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বক্তারা বলেছেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশকে নিয়ে গভীর চক্রান্ত চলছে। বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকার ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকলেও কোনো ইসলামবিরোধী আইন পাসের সাহস পায়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মাথাতেই পবিত্র কোরআনের অবিসংবাদিত বিধানের পরিপন্থী এই আইন পাস করেছে, যা জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর স্পষ্ট আঘাত।’
তারা উল্লেখ করেছেন, পবিত্র কোরআনে উত্তরাধিকার আইন সুবিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। শরিয়তের বাইরে নতুন কোনো পদ্ধতি বা আইন সংযোজনের প্রয়োজন নেই। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট এবং জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে নেতারা বলেছেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের তীব্র সংকটে দিশেহারা। মূল্যস্ফীতির কারণে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। হেবা আইনসংক্রান্ত জটিলতা জনগণের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
"বর্তমানে বাংলাদেশকে নিয়ে গভীর চক্রান্ত চলছে। বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার দেশের মানুষের ওপর চরম নির্যাতন চালিয়েছিল। এর ফলশ্রুতিতে ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। বর্তমান সরকার ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকলেও কোনো ইসলামবিরোধী আইন পাসের সাহস পায়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মাথাতেই পবিত্র কোরআনের অবিসংবাদিত বিধানের পরিপন্থী এই আইন পাস করেছে, যা জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর স্পষ্ট আঘাত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, মণিচত্বর, রাজশাহী কলেজ, কুমারপাড়া মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমদ, মো. ফয়সাল হোসেন মনি, হাফেজ মাওলানা মুরশিদ আলম ফারুকী, মো. ইসাহাক, মো. হাসিবুর রহমান, মুফতি ইমরান হোসাইন, পারভেজ আকন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ (জুলাই), ৫ (আগস্ট), ১৬ (বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!