📌 ভারতের সাবেক কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে নতুন সম্ভাবনার কথা ব্যক্ত করেছেন। তিস্তা নদীর পানিবণ্টন ও রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে ভারতের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি
ভারতের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে কেন্দ্র করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছেন। সোমবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী। বহু অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে। তিস্তা নদী ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অধিকাংশ বিষয়ে একমত হয়েছিলাম, তবে পরবর্তী সময়ে কিছু সূক্ষ্ম বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছানো যায়নি।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যা ভূষণ সোনির মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে
- 📌 তিস্তা নদীর পানিবণ্টন ইস্যুকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি
- 📌 রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ
- 📌 বিদ্যা ভূষণ সোনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদার মানসিকতার নেতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন
- 📌 বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সম্ভাব্য সফরের জন্য যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন
📰 বিস্তারিত
ভারতের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে কেন্দ্র করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতেও বাংলাদেশ সমানভাবে আগ্রহী। তারা চায় ভারত যেন এ বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি সক্রিয় ভূমিকা পালন ছাড়া ভারতের আর তেমন কিছু করার নেই।’
বিদ্যা ভূষণ সোনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদার মানসিকতার নেতা হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘তিনি ভারতবিরোধী নন এবং ভারতবিরোধী হিসেবে আখ্যা দেওয়া যায় এমন কোনো বক্তব্য তিনি নিজ মুখ থেকে দেননি। তাই ভারত সতর্কতার সঙ্গে সম্ভাবনার সেই দ্বার উন্মোচনের চেষ্টা করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব কিছু বলা সত্ত্বেও এগুলো দুই পক্ষেরই অফিশিয়াল মুখপাত্রদের দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে রাজনীতিবিদেরা কথা বলেননি। তাই আমার মনে হচ্ছে যে এখন পর্যন্ত তাঁর (তারেক রহমান) আসার একটি সুযোগ রয়েছে। আমি এ বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।’
বাংলাদেশ–ভারত যোগাযোগের বর্তমান সুযোগটি হাতছাড়া হতে দেওয়া উচিত নয় বলেও মনে করেন বিদ্যা ভূষণ সোনি। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তবে সম্ভাবনার সেই দ্বার রুদ্ধ হয়ে যাবে; যোগাযোগের পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য খোলা থাকবে না। ফলে ওই সুযোগটি তারা কিংবা আমরা কেউই হাতছাড়া করতে চাই না।’
‘আমি মনে করি রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতেও বাংলাদেশ সমানভাবে আগ্রহী। তারা চায় ভারত যেন এ বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি সক্রিয় ভূমিকা পালন ছাড়া ভারতের আর তেমন কিছু করার নেই।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি ও ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদ্যা ভূষণ সোনি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বহু অমীমাংসিত বিষয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!