📌 যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারের পর ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের নাম উল্লেখ করে তুমুল ঠাট্টা-ইয়ার্কি ছড়িয়ে পড়ল। রাজনীতিক ও জনপ্রিয় ব্যক্তিবর্গ জ্ঞানেশের ভূমিকা নিয়ে উপহাসমূলক পোস্ট প্রকাশ করছেন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারের পর ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল ঠাট্টা-ইয়ার্কির বন্যা ছড়িয়ে পড়ল। এই ঠাট্টার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়ে এখনও পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক মিম ও পোস্টে এই তিনজনকে নিয়ে আলোচনা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোদি-ট্রাম্পের নির্বাচন হার নিয়ে ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্ঞানেশ কুমারের নাম উল্লেখ করে ঠাট্টা-ইয়ার্কি ছড়িয়ে পড়ল।
- 📌 মহুয়া মৈত্র মোদি ও ট্রাম্পের ছবি নিয়ে পোস্ট করেন, যেখানে লেখা: ‘ফ্রান্ড ডোনাল্ড নিডস জ্ঞানু’ এবং জ্ঞানেশের ফোন নম্বর পাঠাব কি না তা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে।
- 📌 অভিজিৎ দিপক লিখেছেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার থাকলে ট্রাম্পের সঙ্গে এমনটা কিছুতেই হতে দিতেন না’।
- 📌 ট্রাম্প আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে বলেছিলেন, ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন জ্ঞানেশ কুমার।
- 📌 ধ্রুব রাঠি ও প্রশান্ত ভূষণ জ্ঞানেশের ভূমিকা নিয়ে উপহাসমূলক পোস্ট প্রকাশ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারের পর ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল ঠাট্টা-ইয়ার্কির বন্যা ছড়িয়ে পড়ল। এই ঠাট্টার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক ‘পোস্ট’-এ গতকাল বুধবার থেকে চলছে এই ঠাট্টা।
মহুয়া মৈত্র, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, মোদি ও ট্রাম্পের একটি ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্পকে মোদি কিছু বলছেন। ছবির গায়ে লেখা: ‘ফ্রান্ড ডোনাল্ড নিডস জ্ঞানু’। ছবির নিচে লেখা: ‘ফ্রান্ড ডোনাল্ড নিডস জ্ঞানু’। মোদি ও ট্রাম্পের ছবির গায়ে লেখা: ‘জ্ঞানেশের নম্বর পাঠাব কি?’
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দিপকও এক পোস্টে লিখেছেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার থাকলে ট্রাম্পের সঙ্গে এমনটা কিছুতেই হতে দিতেন না’। তিনি কোনো মিম পোস্ট করেননি, শুধুমাত্র ওই লাইন লিখেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ভারতের নির্বাচন পরিচালনব্যবস্থার প্রশংসা করেছিলেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, জ্ঞানেশ কুমার মার্কিন প্রশাসনের একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া আপনারা ভোট করান কী করে?’ ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ভারতে শেষ নির্বাচনে ৬৪ কোটি মানুষ ভোট দিয়েছে। এঁদের মধ্যে ই-মেইলে ভোট দিয়েছেন এক শতাংশের কম। সব ভোটারের কাছে বৈধ পরিচয়পত্র ছিল। বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোটদানের প্রক্রিয়াটি বেশ ভালো ছিল।’
কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প সাহেব, জ্ঞানেশকে সঙ্গে নিলে আজকের দিনটা আপনাকে দেখতে হতো না’।
জ্ঞানেশবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার হওয়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ভুলে যাবেন না, ট্রাম্প কিন্তু জ্ঞানেশ কুমারের প্রশংসা করেছিলেন’।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্দোলনকর্মী প্রশান্ত ভূষণও এক পোস্টে মোদি ও ট্রাম্পের কাল্পনিক কথাবার্তা তুলে উপহাস করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ফ্রান্ড, জ্ঞানেশকে আমি তোমার কাছে পাঠাতে পারিনি বলে দুঃখিত। আমাকে তো আগে আমার ঘর সামলাতে হবে। তবে কী জানো, লোকজন এখন তাকে গৃহবন্দী করে ফেলেছে। সে বেচারা এখন আমাকেও সাহায্য করতে পারছে না’।
অচেনা মানুষেরাও ট্রাম্প-মোদি-জ্ঞানেশকে উপহাসের পাত্র করে ছেড়েছেন। ‘পানস্টারএক্স’ হ্যান্ডলে একজন লিখেছেন, ‘দুঃখের কথা, ট্রাম্পের একজন জ্ঞানেশ কুমার ছিলেন না’। অন্য একজন লিখেছেন, ‘ভোটের খেলায় ট্রাম্প এখনো অপেশাদার’।
বিদেশেও এই ঠাট্টার ছড়াছড়ি। ‘ইরান অন ইন্ডিয়া’ নামের এক্স হ্যান্ডলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে তৈরি ভিডিও ক্লিপিংয়ে দেখা যাচ্ছে, হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের কথা বলা হয়েছে।
"জ্ঞানেশ কুমার থাকলে ট্রাম্পের সঙ্গে এমনটা কিছুতেই হতে দিতেন না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতে (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তিবর্গ: ডোনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদি, জ্ঞানেশ কুমার, অভিজিৎ দিপক, মহুয়া মৈত্র, ধ্রুব রাঠি, প্রশান্ত ভূষণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ কোটি (ভারতে নির্বাচনে ভোটদানকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!