📌 ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দমনে পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ইলেকট্রিক শক ও প্যালেট গানের ব্যবহার আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি
ভারতে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমনে পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংগঠনটি জানিয়েছে, গত ২০ জুলাই সহিংস হয়ে ওঠা বিক্ষোভে পুলিশ ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র, প্যালেট গান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অভিযোগ: ভারতে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমনে পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে
- 📌 ব্যবহৃত হয়েছে ইলেকট্রিক শক যন্ত্র, প্যালেট গান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড
- 📌 বিক্ষোভ সহিংস হওয়ার পরই পুলিশ বলপ্রয়োগ করে বলে দাবি দিল্লি পুলিশের
- 📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গঠন করেছে তদন্ত প্যানেল
- 📌 গত মাসের বিক্ষোভে পদত্যাগে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
📰 বিস্তারিত
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ভারতের দিল্লি ও বিহারে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দমনে পুলিশ যে বলপ্রয়োগ করেছে তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড লঙ্ঘন। সংগঠনটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ও প্যালেট গানের ব্যবহার নজরে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও যাচাইকৃত চাক্ষুষ প্রমাণের ভিত্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে অ্যামনেস্টি।
গত ২০ জুলাই সহিংস হয়ে ওঠা বিক্ষোভে হাজারো শিক্ষার্থী পার্লামেন্টের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। ওই দিন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, বিহারের সিওয়ান জেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা জনতার বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করেছেন বলে দুটি ঘটনা যাচাই করা হয়েছে। যদিও এসব ঘটনায় কেউ নিহত হননি।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠার পরই তারা বলপ্রয়োগ করেছিল। পুলিশ আরও দাবি করেছে, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছদ্মবেশে থাকা সমাজবিরোধীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুরুতর আহত করেছে।
"বিক্ষোভকারীদের ওপর ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ও প্যালেট গান ব্যবহারের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছে। রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত সহিংসতার শামিল এটি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, বিহার
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, রাহুল গান্ধী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!