📌 নেপালের ত্রিশুলি বাজারে ভয়াবহ বন্যায় চারটি বাড়ি ভেসে যাওয়ার পরেও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে যাওয়া একটি কুকুরের অসহায় অবস্থা স্থানীয়দের মন কেড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা তাকে সরাতে ব্যর্থ হওয়ায় এখন তাকে খাবার ও পানি দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে
নেপালের নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলি বাজারে ভয়াবহ বন্যায় চারটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেসে যাওয়ার পরেও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে যাওয়া একটি কুকুরের অসহায় অবস্থা স্থানীয়দের মন কেড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, কুকুরটি তার পুরোনো এলাকা ছাড়তে রাজি নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের ত্রিশুলি বাজারে ভয়াবহ বন্যায় চারটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেসে যায়
- 📌 ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে যাওয়া কালো-সাদা রঙের কুকুরটি তার এলাকা ছাড়তে রাজি নয়
- 📌 উদ্ধারকর্মীরা তাকে সরাতে ব্যর্থ হওয়ায় খাবার ও পানি দিয়ে সাহায্য করছেন
- 📌 স্বেচ্ছাসেবী বিক্রম থাপা জানান, কুকুরটি বিস্কুট ও বিভিন্ন নামে ডাকেও সাড়া দেয়নি
- 📌 ভারী যন্ত্রপাতির শব্দেও কুকুরটির মধ্যে ভয় দেখা যায়নি
📰 বিস্তারিত
নেপালের নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলি বাজারে ভয়াবহ বন্যায় চারটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেসে যাওয়ার পরেও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে যাওয়া একটি কুকুরের অসহায় অবস্থা স্থানীয়দের মন কেড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, কুকুরটি তার পুরোনো এলাকা ছাড়তে রাজি নয়। গলায় কলার থাকলেও তার নাম জানা যায়নি।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চললেও কুকুরটি জায়গা ছেড়ে যাচ্ছে না। খাবার দিয়ে বা বিভিন্ন নামে ডাকলেও সাড়া দেয়নি প্রাণীটি। স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণকর্মী বিক্রম থাপা বলেন, ‘আমরা বিস্কুট দিয়ে তাকে ডাকার চেষ্টা করেছি, নানা নামে ডেকেছি। কিন্তু সে মাথাও ঘোরায় না। তার কলারটি এখনো অক্ষত।’
ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজে যুক্ত সুনীল তামাং জানান, একাধিক জেসিবি ও ভারী যন্ত্রের প্রচণ্ড শব্দেও কুকুরটির মধ্যে তেমন ভয় দেখা যায়নি। কখনো যানবাহন বা মানুষ পাশ দিয়ে গেলে মাথা তোলে, কিন্তু তারা চলে গেলেই আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে।
‘আমরা বিস্কুট দিয়ে তাকে ডাকার চেষ্টা করেছি, নানা নামে ডেকেছি। কিন্তু সে মাথাও ঘোরায় না। তার কলারটি এখনো অক্ষত। সে এই জায়গা ছাড়তে চায় না।’ — স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণকর্মী বিক্রম থাপা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপালের নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলি বাজার
- 👥 ব্যক্তি: স্বেচ্ছাসেবী বিক্রম থাপা, সুনীল তামাং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেসে যাওয়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!