📌 ভারতের চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনে বিজেপি ও কংগ্রেসের দুর্দশা প্রকাশ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী আসন বারানসি ও সংঘের সদর নাগপুরে বিজেপি হেরেছে। কংগ্রেস কর্ণাটকের চার আসনে সব হেরেছে। মোদি ও কংগ্রেসের মধ্যে তীক্ষ্ণ প্রতিযোগিতা চলছে ইভিএম ও ব্যালট পেপার বিষয়ে।
ভারতের চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফল বিজেপি ও কংগ্রেসকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। নির্বাচনে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী আসন বারানসি এবং সংঘের সদর দপ্তর নাগপুরে তারা হেরে গেছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের জন্য দুর্দশাজনক ফল হয়েছে কর্ণাটকে, যেখানে তারা সরকারে থাকা সত্ত্বেও চার আসনে সব হেরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ আসনে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজেপি ও কংগ্রেসের দুর্দশা প্রকাশ পেয়েছে।
- 📌 নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী আসন বারানসি এবং সংঘের সদর নাগপুরে বিজেপি হেরেছে।
- 📌 কংগ্রেস কর্ণাটকের চার আসনে সব হেরেছে, যেখানে তারা সরকার গঠন করে আছে।
- 📌 নাগপুরে বিজেপির হার ৩ হাজার ২৭১ ভোটে কংগ্রেসপ্রার্থী অভিজিৎ ওয়াংজারির কাছে।
- 📌 উত্তর প্রদেশে ১১ আসনে বিজেপি ৬টি জিতেছে, বাকি ৫টি পেয়েছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি)।
- 📌 মহারাষ্ট্রে বিজেপির জোট ‘মহাজুটি’ ৫ আসনের মধ্যে মাত্র ২টি জিতেছে।
- 📌 মোদি ও কংগ্রেসের মধ্যে ইভিএম ও ব্যালট পেপারের বিষয়ে তীক্ষ্ণ প্রতিযোগিতা চলছে।
📰 বিস্তারিত
বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘চার বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার ও কর্ণাটকে বিধান পরিষদের ২৮ আসনে ভোট হয়েছে। বলুন তো, কংগ্রেস কয়টা আসন জিতেছে?’ এই মন্তব্যের শেষে তিনি চোখে আতশি কাচ ধরা ইমোজি জুড়ে দিয়েছেন। কটাক্ষের কারণ হিসেবে তিনি ইভিএমের সমালোচনা ও কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’ দাবি উল্লেখ করেছেন। কংগ্রেস দাবি করে আসছে যে, নির্বাচন কমিশন ইভিএমেও কারচুপি করে। তারা ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছে। এবার বিধান পরিষদের ভোট ব্যালট পেপারে হয়েছিল।
মোদির কটাক্ষের জবাব দেয় কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা। তিনি লিখেছেন, ‘তা হলে? মোদি সাহেব নিজের লোকসভা আসনে বিধান পরিষদ আসন হারালেন, নাগপুরেও বিজেপি হেরে গেল। বলুন তো, নাগপুরে কারা জিতেছে?’ বিজেপির পক্ষে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র। উত্তর প্রদেশে ১১ আসনে বিজেপি ৬টি জিতেছে, অন্য ৫টি পেয়েছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি)। এসপি আগের তুলনায় ২টি আসন বেশি জিতেছে। শিক্ষিত ভোটারদের বিজেপি থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
বিধান পরিষদের মোট আসনের এক-তৃতীয়াংশ নির্বাচন করেন বিধায়ক ও পৌরসভা-পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা। এই নির্বাচনে শুধু শিক্ষক ও স্নাতক ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল। ভারতের রাজ্যগুলোর নিম্নকক্ষ হলো বিধানসভা, উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ। তবে অধিকাংশ রাজ্যে বিধান পরিষদ তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনো বিধান পরিষদ রেখে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৬টি রাজ্যে: উত্তর প্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্র প্রদেশ।
"চার বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার ও কর্ণাটকে বিধান পরিষদের ২৮ আসনে ভোট হলো। বলুন তো, কংগ্রেস কয়টা আসন জিতেছে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, কর্ণাটক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদি, দেবেন্দ্র ফাডনবিশ, পবন খেরা, অভিজিৎ ওয়াংজারি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ আসন, ১১ আসনে বিজেপি ৬টি জিতেছে, ৩ হাজার ২৭১ ভোট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!