📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতে উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বেকারত্বের অভিশাপ: ঋণে ডুবছে তরুণদের ভবিষ্যৎ

ভারতে উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বেকারত্বের অভিশাপ: ঋণে ডুবছে তরুণদের ভবিষ্যৎ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকারত্ব। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটির উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা দশ বছরে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও ভালো চাকরি মিলছে না

ভারতে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকারত্ব ও ঋণের বোঝা। দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে দুই ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত ‘নলেজ পার্ক থ্রি’ এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসা প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থীর অনেকেই ডিগ্রি শেষ করে ভালো চাকরি না পেয়ে ঋণের জালে আবদ্ধ হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারতে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা দশ বছরে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 দেশটির উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়েন
  • 📌 ২৫ বছরের কম বয়সী কলেজ স্নাতকদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ বেকার
  • 📌 মাসে ৫০০ ডলারের বেশি বেতনের নতুন চাকরি বছরে তৈরি হয় মাত্র আড়াই লাখ
  • 📌 নয়ডা ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে চার বছরের ডিগ্রি শেষ করতে খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার ডলার

📰 বিস্তারিত

ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডা এলাকায় অবস্থিত ‘নলেজ পার্ক থ্রি’ হলো উচ্চশিক্ষার একটি প্রধান কেন্দ্র। এখানে অসংখ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ গড়ে উঠেছে, যেখানে পড়াশোনা শেষ করতে শিক্ষার্থীদের বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বারানসি শহরের ১৮ বছর বয়সী হর্ষিত রাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। তাঁর ডিগ্রি শেষ করতে প্রায় ১৫ হাজার ডলার খরচ হবে, যার অর্ধেকই ব্যাংকঋণ। স্নাতক শেষে মাসে ৮০ হাজার রুপি আয় করতে পারলেও তাঁর ঋণ পরিশোধে পাঁচ থেকে ছয় বছর লেগে যাবে।

ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটির উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৫০ লাখ, যা এক দশক আগের তুলনায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভালো চাকরি তৈরির হার কম। আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী, ২৫ বছরের কম বয়সী কলেজ স্নাতকদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই বেকার রয়েছেন। মাসে ৫০০ ডলারের বেশি বেতনের নতুন চাকরি বছরে তৈরি হয় মাত্র আড়াই লাখ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ২০১৪ সাল থেকে বেসরকারি কলেজের সংখ্যা তিন গুণ বৃদ্ধি করেছে। ভালো জীবনের আশায় পরিবারগুলো সঞ্চয় ভেঙে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় পড়াচ্ছেন। কিন্তু ভালো চাকরির অভাবে সেই আশা এখন হতাশায় পরিণত হচ্ছে। গত মাসে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় কারচুপির অভিযোগ ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে তরুণদের হতাশার বহিঃপ্রকাশে পরিণত হয়।

"তরুণদের কাছে একটি মিথ্যা বিক্রি করা হয়েছে। সেটি হলো, ডিগ্রি পেলেই চাকরি পাওয়া যাবে।" — অক্ষয় সাক্সেনা, উদ্যোক্তা ও শিক্ষা ফেলোশিপ কর্মসূচির প্রতিষ্ঠাতা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গ্রেটার নয়ডা, উত্তর প্রদেশ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হর্ষিত রাই (১৮ বছর), অক্ষয় সাক্সেনা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ কোটি ৫০ লাখ (উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থী), ৪১ শতাংশ (বৃদ্ধির হার), ৪০ শতাংশ (বেকারত্বের হার), ১৫ হাজার ডলার (ডিগ্রি খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖