📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপ্রতিমের (১৩) হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে এসআরবি ছেড়ে দিয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রশ্নের জবাব দিতে এসআরবির অধিনায়ক বলেছেন, আনাসের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হতে পারে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ছেড়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় শাহরিয়া আনাসের (১৯) সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে আনাসের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২ অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে জানান, আনাসের বিরুদ্ধে কোনো যোগাযোগ বা প্রমাণ পাওয়া না গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপ্রতিমের (১৩) হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে এসআরবি ছেড়ে দিয়েছে।
- 📌 এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, আনাসের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
- 📌 পুলিশের সদর সার্কেল এএসপি মুস্তাইন বিল্লাহও বলেছিলেন, আনাস হেফাজতে আছেন, কিন্তু পরে এসআরবি তাকে ছেড়ে দেয়।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলে মরদেহ উদ্ধার করা হয় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে।
- 📌 গ্রেপ্তার তিনজন অভিযুক্তের মধ্যে আনাসের নাম ছিল না, তাদের বয়স ১৫ থেকে ১৯ বছর।
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপ্রতিমের (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শাহরিয়া আনাসের (১৯) আটক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আনাসকে আটক করে হেফাজতে নেয় এসআরবি। তবে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, আনাসের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘আটক হওয়া অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে আনাসের যোগাযোগের একটা তথ্য ছিল আমাদের কাছে। সেজন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হতে পারে।’
অপ্রতিমের মরদেহ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। আগের দিন শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। সে কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপ্রতিমের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা প্রথম সন্দেহভাজন তুহিনকে (১৯) আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে আনাসের নাম ছিল না। তাদের মধ্যে একজন হলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সানন্দা এলাকার সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯), সালমানপুর এলাকার ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকার ১৬ বছর বয়সী আরেক কিশোর। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আগে কোনো পুলিশ রেকর্ড (পিসিপিআর) নেই।
"আটক হওয়া অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে আনাসের যোগাযোগের একটা তথ্য ছিল আমাদের কাছে। সেজন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হতে পারে।"(মেজর সাদমান ইবনে আলম, এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়, কোটবাড়ি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহরিয়া আনাস, মেজর সাদমান ইবনে আলম, ড. নাহিদা বেগম, এএসপি মুস্তাইন বিল্লাহ, তুহিন (সাইফুল ইসলাম)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (অপ্রতিমের বয়স), ১৯ (আনাসের বয়স), ১৫ ও ১৬ (অন্যান্য অভিযুক্তদের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!