📌 ভারত অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নতুন নামকরণ করায় চীন ক্ষুব্ধ। কংগ্রেস নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন, অন্যদিকে কূটনৈতিক মহল ব্রিকস বৈঠকে প্রভাব পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করছেন
অরুণাচল প্রদেশকে কেন্দ্র করে ভারত ও চীনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার সূচনা হয়েছে। নয়াদিল্লি অরুণাচলের ২৭টি স্থানের নতুন নামকরণ করার পর চীনের সামরিক ও কৌশলগত তৎপরতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস নেতারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নতুন নামকরণ করেছে ভারত সরকার
- 📌 নতুন নামকরণের মধ্যে রয়েছে ২১টি বসতিপূর্ণ এলাকা, চারটি গিরিপথ, একটি হ্রদ ও একটি স্মৃতিস্তম্ভ
- 📌 লংজু এলাকাটি ১৯৫৯ সাল থেকে চীনের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ভারত দাবি করে এটি ভারতীয় ভূখণ্ডের অংশ
- 📌 কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খড়গে সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন, গলওয়ান সংঘর্ষের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন
- 📌 আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভারত সরকার সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নতুন নামকরণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে লংজু, মাজা ও বিসা এলাকা। নয়াদিল্লির দাবি, এই পদক্ষেপ অরুণাচলের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক পরিচয়কে আরও স্পষ্ট করবে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে এই নামকরণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চীন অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে। ফলে ভারতের এই পদক্ষেপকে চীন প্রত্যাখ্যান করেছে। কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খড়গে অভিযোগ করেছেন, গলওয়ান সংঘর্ষের পর অরুণাচল নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের নির্দিষ্ট এলাকায় টহল দেওয়ার অধিকার কি কমে যাচ্ছে।
কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, অরুণাচল নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস বৈঠকে প্রভাব পড়তে পারে। কারণ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ২০২০ সালের গলওয়ান সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কের ওপর গভীর প্রভাব পড়েছিল।
"গলওয়ানের ক্ষত এখনও পুরোপুরি শুকায়নি। সেই প্রেক্ষাপটে অরুণাচল নিয়ে নতুন করে ওঠা প্রশ্ন ভারত ও চীনের সম্পর্ককে ফের কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অরুণাচল প্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মল্লিকার্জুন খড়গে (কংগ্রেস সভাপতি), শি জিনপিং (চীনের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭টি স্থান, ২১টি বসতিপূর্ণ এলাকা, ২০ জন নিহত (গলওয়ান সংঘর্ষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!