📌 আরবীয় সাগরে ভারত ও পাকিস্তানের নৌযান সংঘর্ষে দু’দেশের মধ্যে অপপ্রয়াসের আশঙ্কা বেড়েছে। সংঘর্ষের পর পাকিস্তান ভারতের দূতাবাসে দূতকে ডেকে আনা এবং ভারত পাকিস্তানের দূতকে ডেকে আনা হয়েছে। ২০২৫ সালের চারদিনের বিমানযুদ্ধের পর এটিই প্রথম সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ
আরবীয় সাগরে ভারত ও পাকিস্তানের নৌযান সংঘর্ষে দু’দেশের মধ্যে অপপ্রয়াসের আশঙ্কা বেড়েছে। সংঘর্ষের পর পাকিস্তান ভারতের শীর্ষ দূতকে ডেকে আনা এবং ভারত পাকিস্তানের চার্জ ডি’আফেয়ার্সকে ডেকে আনা হয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে চারদিনের বিমানযুদ্ধের পর এটিই প্রথম সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ, যা দু’দেশকে সম্পূর্ণ যুদ্ধের কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল। সংঘর্ষের বিস্তারিত এখনও স্পষ্ট নয়, কারণ কোনো সরকার ভিডিও, ট্র্যাক ডেটা বা স্বাধীন বিবরণ প্রকাশ করেনি। প্রতিটি সরকার অন্যদের নৌযানের দোষারোপ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ মাস পর প্রথম সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ: ২০২৫ সালের মে মাসের চারদিনের বিমানযুদ্ধের পর এটিই প্রথম সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ, যা দু’দেশকে সম্পূর্ণ যুদ্ধের কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল।
- 📌 পাকিস্তান দাবি: ভারতীয় নৌযান ইএনএস কলকাতা পাকিস্তানের সিপিএসপার্ক-২৬ নৌঅভ্যাসের এলাকায় পুনরাবৃত্তি করে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিল এবং ১৫ সেপ্টেম্বর আবহেলা করে পাকিস্তানের নৌযান পিএনএস হুনাইন এর সাথে সংঘর্ষ ঘটায়।
- 📌 ভারতের প্রতিবাদ: ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তানের নৌযান উচ্চ গতিতে এগিয়ে এসে নিরাপদভাবে চলাচলের জন্য অপমানজনক আচরণ করেছিল।
- 📌 ১৯৯১ সালের চুক্তি লঙ্ঘন: পাকিস্তান দাবি করে, ভারতের নৌযান ৩ নৌমাইল দূরত্বের (৫.৫ কিমি) নিয়ম লঙ্ঘন করে।
- 📌 দূতাবাসে ডাক: পাকিস্তান ভারতের শীর্ষ দূতকে ডেকে আনা এবং ভারত পাকিস্তানের চার্জ ডি’আফেয়ার্সকে ডেকে আনা হয়েছে।
- 📌 অনালিস্টদের সতর্কতা: পাকিস্তান নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ভাইস অ্যাডমিরাল আহমদ সায়েদ বলেছেন, ভারত ও পাকিস্তান সোভিয়েত-আমেরিকান নৌযান সংঘর্ষের মতো ঘটনা পরিচালনা করতে সক্ষম নয়, কারণ তাদের কোনো বিলateral Incidents at Sea চুক্তি বা নৌবাহিনী-নৌবাহিনী হটলাইন নেই।
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সিপিএসপার্ক-২৬ নামে দ্বিবার্ষিক নৌঅভ্যাস পরিচালনা করছে। এই অভ্যাসের এলাকা তাদের অনন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজে) (২০০ নৌমাইল বা ৩৭০ কিমি) এর মধ্যে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করে, ভারতীয় নৌযান ইএনএস কলকাতা ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরাবৃত্তি করে এই এলাকায় প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিল। ১৫ সেপ্টেম্বর, কলকাতা আবহেলা করে একটি পাকিস্তানি নৌযান পিএনএস হুনাইন এর সাথে সংঘর্ষ ঘটায়। পাকিস্তান এই ঘটনাকে ১৯৯১ সালের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে, যা নৌযানগুলিকে আন্তর্জাতিক জলে অন্তত ৩ নৌমাইল দূরত্বে থাকার নির্দেশ দেয়।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের নৌযান রুটিন সার্ভিলেন্স করছিল আন্তর্জাতিক জলে, যখন পাকিস্তানের নৌযান উচ্চ গতিতে এগিয়ে এসে নিরাপদ চলাচলের জন্য অপমানজনক আচরণ করেছিল। ভারত কোনো নৌযানের নাম উল্লেখ করেনি, তবে স্থানীয় মিডিয়ায় ইএনএস কলকাতা নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পাকিস্তান নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ভাইস অ্যাডমিরাল আহমদ সায়েদ আল জাজিরার সাথে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, এই ধরনের ঘটনা সোভিয়েত-আমেরিকান নৌযান সংঘর্ষের মতোই। তবে তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তান এই ধরনের সংঘর্ষ পরিচালনা করতে সক্ষম নয়, কারণ তাদের কোনো বিলেটারাল ইনসিডেন্টস অ্যাট সি চুক্তি বা নৌবাহিনী-নৌবাহিনী হটলাইন নেই।
"পাকিস্তান শক্তিশালী ভারতীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানায়, যা ১৯৯১ সালের চুক্তি লঙ্ঘন করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আরবীয় সাগর, পাকিস্তানের অনন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজে)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অবসরপ্রাপ্ত ভাইস অ্যাডমিরাল আহমদ সায়েদ (পাকিস্তান নৌবাহিনী), পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ মাস, ৩ নৌমাইল (৫.৫ কিমি), ২০০ নৌমাইল (৩৭০ কিমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!