📌 হেব্রন (শেষ আধুনিক পশ্চিম তীর) শহরের আল-জালাদা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দশ দিনের অভিযান চালিয়ে ৩,৩০০ জনেরও বেশি বাসিন্দাকে বিতাড়িত করে। বিতাড়িতদের মধ্যে একজন ৩৫ বছর বয়সী অস্থিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ নুর আল-নাতশা তার বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন, তার বাড়ি লুটপাটের শিকার হয়েছে এবং তার ছোট মেয়ে নাতশের প্রিয় পাখি হারিয়ে গেছে। বাসিন্দারা আশা করে যে, তারা আবারও স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারবেন
হেব্রন (শেষ আধুনিক পশ্চিম তীর) শহরের আল-জালাদা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর দশ দিনের অভিযান শেষে বাসিন্দারা ফিরে এসেছেন, কিন্তু তাদের জীবন পুনরুদ্ধার করা এখনও একটি কঠিন কাজ। ইসরায়েলি বাহিনী ২৪ অক্টোবর এই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বাসিন্দাদের ২০ মিনিটের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করে। তারা শুধুমাত্র অর্থ, সোনা এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল নিয়ে বের হতে পারলেও তাদের বেশিরভাগ পোশাক, দৈনন্দিন জিনিসপত্র এবং পরিবারের ছবি বাড়িতে ছেড়ে আসতে হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **দশ দিনের বন্দী জীবন**: ইসরায়েলি বাহিনী ২৪ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হেব্রনের আল-জালাদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৩৭টি পরিবার (৩,৩০০ জনেরও বেশি বাসিন্দা) বিতাড়িত করে।
- 📌 **২০ মিনিটের সতর্কতা**: বাসিন্দাদের বাড়ি ছেড়ে যেতে দেওয়া হয়েছিল শুধুমাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে, যেখানে তারা শুধুমাত্র অর্থ, সোনা এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল নিয়ে বের হতে পারল।
- 📌 **বাড়ি ফিরে পাওয়ার দুঃখ**: ৩৫ বছর বয়সী অস্থিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ নুর আল-নাতশা তার বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন, বাড়ি লুটপাটের শিকার হয়েছে এবং তার ছোট মেয়ে নাতশের প্রিয় পাখি হারিয়ে গেছে।
- 📌 **বাসিন্দাদের আশা ও আতঙ্ক**: বাসিন্দারা আশা করে যে, তারা আবারও স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারবেন, কিন্তু তাদের বাড়ি এবং জিনিসপত্রের ক্ষতি এখনও তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
- 📌 **৬৮ বছর বয়সী খালেদ শাওয়ারের কথা**: তিনি বলেছেন, “সব কিছু প্রতিস্থাপন করা যায়: ধ্বংস, ক্ষতি, মলিনতা—সবকিছু। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা ফিরে এসেছি এবং আবার স্থিতিশীলতা পেতে শুরু করেছি।”
📰 বিস্তারিত
হেব্রনের আল-জালাদা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর দশ দিনের অভিযানের পর বাসিন্দারা ফিরে এসেছেন, কিন্তু তাদের জীবন পুনরুদ্ধার করা এখনও একটি কঠিন কাজ। নুর আল-নাতশা তার পরিবারকে নিয়ে ১০ দিনের বিতাড়িত জীবন থেকে ফিরে এসেছেন। তিনি বলেন, “আমরা বাড়িতে ফিরে এসেছি, কিন্তু আমরা কি খুশি যে ফিরে এসেছি বা কি দুঃখিত যে আমাদের বাড়ি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা বোঝা যায় না।”
আল-নাতশার পরিবার এবং প্রতিবেশীরা সোমবার রাতে আল-জালাদা এলাকায় ফিরে আসার আগে ওয়াদি আল-কারম এলাকায় একত্রিত হয়েছিল। তারা আশা করেছিল যে, ইসরায়েলি বাহিনী অবশেষে এলাকাটি ছেড়ে যাবে। কিন্তু রাতে কোনো সতর্কতা না পেয়ে তারা আবারও আশ্রয়স্থলে ফিরে যায়। সকাল ৬টা নাগাদ তারা আবার এলাকায় ফিরে আসে এবং তাদের বাড়ি পরিদর্শন করে। তারা দেখতে পায় যে, তাদের বাড়ির দরজা খোলা ছিল এবং বাড়ি লুটপাটের শিকার হয়েছে।
আল-নাতশার চার বছর বয়সী মেয়ে নাতশ তার প্রিয় পাখি নাতশকে হারিয়ে ফেলেছেন, যাকে তিনি বাড়িতে ছেড়ে আসেছিলেন। তিনি জানেন না যে, পাখিটি কোথায় আছে, কি অবস্থায় আছে, বা ইসরায়েলি বাহিনী কি করেছে তার সাথে। নাতশ তার মায়ের কাছে বারবার প্রশ্ন করে, “মা, আমার পাখি কোথায়?”
৬৮ বছর বয়সী খালেদ শাওয়ার বলেন, “আমরা ফিরে এসেছি এবং আবার স্থিতিশীলতা পেতে শুরু করেছি। সব কিছু প্রতিস্থাপন করা যায়—ধ্বংস, ক্ষতি, মলিনতা—সবকিছু। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা ফিরে এসেছি এবং আবার স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারছি।”
"আমরা বাড়িতে ফিরে এসেছি, কিন্তু আমরা কি খুশি যে ফিরে এসেছি বা কি দুঃখিত যে আমাদের বাড়ি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা বোঝা যায় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হেব্রন (শেষ আধুনিক পশ্চিম তীর), আল-জালাদা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুর আল-নাতশা (৩৫ বছর বয়সী অস্থিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ), খালেদ শাওয়ার (৬৮ বছর বয়সী বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩৭টি পরিবার (৩,৩০০ জন বাসিন্দা), ১০ দিনের অভিযান, ২০ মিনিটের সতর্কতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!