📌 গ্রিস ও ইসরায়েল ৩৫০ কোটি ডলারের সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ইরান ও তুরস্কের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’ নামের এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। চুক্তিতে ড্রোন প্রতিরক্ষাসহ বহুমুখী সামরিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত
৩১ আগস্ট গ্রিস ও ইসরায়েল তাদের ভূখণ্ড সুরক্ষায় ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’ নামের একটি যুগান্তকারী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে ৩৫০ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই ব্যবস্থায় ডেভিড’স স্লিং, স্পাইডার ইন্টারসেপ্টর, বারাক আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং বহুমুখী রাডার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ড্রোন আক্রমণ প্রতিহত করতে আলাদা ড্রোন ডোম ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে। দুই দেশের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রিস ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩৫০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি
- 📌 ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’ নামের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত
- 📌 ইরানের ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রিসের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়
- 📌 ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি চুক্তি এটি
- 📌 গ্রিসের ৬৫ শতাংশ নাগরিক ইসরায়েলকে নেতিবাচকভাবে দেখলেও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত
📰 বিস্তারিত
সোমবার স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে গ্রিস ও ইসরায়েল তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’ নামের এই ব্যবস্থায় ডেভিড’স স্লিং, স্পাইডার ইন্টারসেপ্টর এবং বারাক আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বহুমুখী রাডার ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তিও যুক্ত করা হয়েছে। দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থা ইরান ও তুরস্কের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি চুক্তি। এর আগে মার্চে ইরানের একটি ড্রোন সাইপ্রাসে আঘাত হানে, যা গ্রিসকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইসরায়েল প্রায় ৩০০টি ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছিল। এই ঘটনার পর গ্রিসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকোস দেনদিয়াস নিজস্ব ড্রোনবিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
রাজনৈতিকভাবে ইসরায়েল বর্তমানে কিছুটা অসুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও সামরিক অভিজ্ঞতার দিক থেকে দেশটি এগিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল ‘অস্ত্র কূটনীতি’ চর্চা করে আসছে, যা তাদের প্রতিরক্ষাশিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে শক্তিশালী করেছে। এছাড়া ইসরায়েলের ‘পেরিফেরি ডকট্রিন’ অনুসারে গ্রিস তুরস্কের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
"এই চুক্তি ইরান ও তুরস্কের ক্রমবর্ধমান হুমকির বিরুদ্ধে গ্রিস ও ইসরায়েলের যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: এথেন্স, গ্রিস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, গ্রিসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকোস দেনদিয়াস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫০ কোটি ডলার, ৬৫ শতাংশ, ৩০০টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!