📌 ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় 'মুরাসু' সোমবার রাত বা মঙ্গলবার ভোরে ভারতের পূর্ব উপকূল আঘাত হানবে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে ভারী বৃষ্টিপাত ও প্রবল বাতাসের আশঙ্কা রয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে এই বছর ঘূর্ণিঝড় মৌসুম তীব্রতর হয়েছে
ভারতের পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ সোমবার রাতে বা মঙ্গলবার ভোরে উপকূল আঘাত হানতে পারে। ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর এই সতর্কবার্তা জারি করেছে। এই ঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে ভারী বৃষ্টিপাত ও প্রবল বাতাসের আশঙ্কা রয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে এই বছর ঘূর্ণিঝড় মৌসুম আরো তীব্র হয়ে উঠেছে, যা বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তন সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সোমবার রাত বা মঙ্গলবার ভোরে ভারতের পূর্ব উপকূল আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’
- 📌 অন্ধ্রপ্রদেশের দক্ষিণ উপকূল অতিক্রমে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ার গতি ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে
- 📌 ওঙ্গোল ও নেল্লোর-নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে ঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করবে
- 📌 আগের ঘূর্ণিঝড় ‘আর্ণব’-এর তুলনায় ‘মুরাসু’ দুর্বল, তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আবারো ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
- 📌 প্রবল বাতাসে খড়ের ছাউনি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, গাছপালা উপড়ে পড়তে পারে
📰 বিস্তারিত
ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ সোমবার মধ্যরাত অথবা মঙ্গলবার ভোরে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এই ঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এল নিনো আবহাওয়াজনিত প্রভাবে এই বছর ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। এ প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটছে এবং বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনেও পরিবর্তন আসছে।
অধিদফতর জানায়, ‘মুরাসু’ অন্ধ্রপ্রদেশের দক্ষিণ উপকূল অতিক্রম করার সময় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ঝড়টি ওঙ্গোল শহরের কাছাকাছি নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে।
গত বুধবার ঘূর্ণিঝড় ‘আর্ণব’ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে। এতে ভারী বৃষ্টিপাত হয় এবং অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়। বাতাসের গতিবেগের দিক থেকে ‘মুরাসু’ আগের ঝড়ে তুলনায় দুর্বল হলেও, আগের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এটি আবারো ভারী বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে।
"প্রবল বাতাসে খড়ের ছাউনি দেয়া ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ঘরের ছাদ উড়ে যেতে পারে এবং গাছপালা উপড়ে পড়তে পারে। জমিতে থাকা ফসল, বাগান ও ফলের বাগানও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের পূর্ব উপকূল (অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বাতাসের গতি ১০০-১১০ কিলোমিটার/ঘণ্টা, দমকা হাওয়ার গতি ১২০ কিলোমিটার/ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!