📌 জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, মুসলিম অভিবাসীদেরও জার্মানির হলোকাস্টের ঐতিহাসিক দায় স্বীকার করতে হবে। না হলে তাদের দেশ ছেড়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, এই দায় পুরো জার্মান সমাজের জন্য প্রযোজ্য। বার্লিনে ইহুদিবিদ্বেষের ঘটনা বেড়েছে, ২০২৫ সালে শুধু বার্লিনেই ২ হাজার ১৯৭টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, মুসলিম অভিবাসীদেরও জার্মানির হলোকাস্টের ঐতিহাসিক দায় স্বীকার করতে হবে। না হলে তাদের দেশ ছেড়ে যেতে হবে। তিনি শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বার্লিনে ম্যাকাবিয়া গেমসের ইহুদি ক্রীড়াবিদদের সম্মানে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, মুসলিম অভিবাসীদেরও হলোকাস্টের দায় স্বীকার করতে হবে, না হলে তাদের জার্মানি ছেড়ে যেতে হবে
- 📌 মের্ৎস বলেন, ‘আমাদের দেশের এই ঐতিহাসিক দায় ইসলামী দেশগুলো থেকে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য’
- 📌 জার্মান বাস্কেটবল দলের কোচ জানান, ইহুদি খেলোয়াড়রা দলের জ্যাকেটে ‘স্টার অব ডেভিড’ প্রতীক দেখে জনসমক্ষে ভয় পাচ্ছেন
- 📌 ২০২৫ সালে বার্লিনে ইহুদিবিদ্বেষের ঘটনা ২ হাজার ১৯৭টি, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম
- 📌 ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইহুদিবিদ্বেষের ঘটনা দ্বিগুণ হয়েছে
📰 বিস্তারিত
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস শুক্রবার বার্লিনে ম্যাকাবিয়া গেমসের ইহুদি ক্রীড়াবিদদের সম্মানে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, জার্মানির হলোকাস্টের ঐতিহাসিক দায় স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানানো মুসলিম অভিবাসীদের দেশটি ছেড়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের এই ঐতিহাসিক দায় ইসলামী দেশগুলো থেকে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য’। মের্ৎস আরও বলেন, ‘আর কেউ যদি এই দায় মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে আমাদের দেশ ছেড়ে যেতে হবে’।
মের্ৎসের এই মন্তব্যের পটভূমি ছিল জার্মান বাস্কেটবল দলের কোচের একটি তথ্য। কোচ জানান, তার দলের ইহুদি খেলোয়াড়রা জনসমক্ষে দলের জ্যাকেট পরতে ভয় পাচ্ছেন, কারণ জ্যাকেটে ইহুদি ধর্মের প্রতীক ‘স্টার অব ডেভিড’ রয়েছে। এই তথ্য জানার পর মের্ৎস নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই দায় পুরো জার্মান সমাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
মের্ৎসের বক্তব্যে ১৯৮৫ সালে জার্মানির সাবেক প্রেসিডেন্ট রিশার্ড ফন ভাইৎসেকারের ভাষণও উল্লেখ করা হয়। ওই ভাষণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৬০ লাখ ইহুদিকে হত্যার মধ্য দিয়ে সংঘটিত গণহত্যায় জার্মানির ভূমিকা স্বীকার করা হয়েছিল। ফন ভাইৎসেকার বলেছিলেন, তরুণেরা হলোকাস্টের জন্য দায়ী না হলেও এর ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারের দায় তাদের বহন করতে হবে। মের্ৎস বলেন, ‘এই দায় পুরো জার্মান সমাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য’। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্টের ওই বক্তব্যকে চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় বলে মনে করেন।
"আমাদের দেশের এই ঐতিহাসিক দায় ইসলামী দেশগুলো থেকে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। আর কেউ যদি এই দায় মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে আমাদের দেশ ছেড়ে যেতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বার্লিন, জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্রিডরিখ মের্ৎস (চ্যান্সেলর), রিশার্ড ফন ভাইৎসেকার (সাবেক প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ লাখ (হতাহত ইহুদি), ২ হাজার ১৯৭টি (২০২৫ সালের ইহুদিবিদ্বেষের ঘটনা), ১৩ শতাংশ (২০২৪ সালের তুলনায় কম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!