📌 গাজা সিটি থেকে আল জাজীরা রিপোর্ট: যুদ্ধক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেঙ্গে পড়ায় ২১ জন নিহত, হায়াত আল-আজলাহর পরিবার থেকে আটকা পড়া আট বছর বয়সী কন্যা ডালিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। পরিবারের ৯ সদস্য মারা গেছেন, চারজন বেঁচে গেছেন
গাজা স্ট্রিপের যুদ্ধক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো এখন মানুষের জন্য মৃত্যুর জাল। গাজা সিটির আল-সাদা ভবনের ভেঙ্গে পড়ায় ২১ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে হায়াত আল-আজলাহর পরিবারের ৯ সদস্য অন্তর্ভুক্ত। তার আট বছর বয়সী কন্যা ডালিয়া এখনও হাসপাতালে আটকা পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **গাজা সিটিতে ভবন ভেঙ্গে পড়ায় ২১ জন নিহত**: হায়াত আল-আজলাহর পরিবারের ৯ সদস্য মারা যান, যার মধ্যে তার ৭৪ বছর বয়সী বাবা, মা, চার ভাইবোন এবং তিন নাতি-নাতনী অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 **আটকা পড়া আট বছর বয়সী ডালিয়া এখনও পাওয়া যায়নি**: হায়াত তার কন্যা ডালিয়াকে রুবল থেকে বের করে আনতে পারেননি, যিনি গুরুতর মাথা আঘাতের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
- 📌 **বিবরণ: ‘আমরা মিরাকলে বেঁচে গেছি’**: হায়াত বলেন, “আমরা ভবনের পাশের অংশে ছিলাম, তাই মিরাকলে বেঁচে গেছি। আমার বাবা-মা ও ভাইবোনের আওয়াজ হারিয়ে গিয়েছিল কারণ তাদের অংশে তলা-তলা ভেঙ্গে পড়েছিল।”
- 📌 **বিবরণ: ‘আমি জাগতে গেলাম ফোন চেক করতে’**: হায়াত বলেন, “আমি জাগতে গেলাম ফোন চেক করতে। তখনই শুনলাম একটা ভেঙ্গে পড়ার শব্দ। মনে হলো আমাদের নিচ থেকে কিছু পড়ে আসছে।”
- 📌 **সাম্প্রতিক ঘটনা: পরিবারকে ভবনে আশ্রয় দিয়েছিলো একটি বন্ধু**: হায়াতের বাবা গাজার শুজায়া থেকে ডের এল-বালাহে বসতি পরিবর্তন করে এসেছিলেন। তারা একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের তৃতীয় তলার খালি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস শুরু করেন, যা একটি বন্ধুর মাধ্যমে পেয়েছিলেন।
- 📌 **হাসপাতালে শোক: উম্ম মাহমুদ সাদা তার ছেলে মাহমুদ ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজে আছেন**: মাহমুদের পরিবারও ভবনের ভেঙ্গে পড়ায় নিহত হন। তার মা বলেন, “তিনি একটি রাস্তার মাঝখানে টেন্টে বসবাস করতেন, অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ ছিল। এক বন্ধু তাকে এই ভবনে আশ্রয় দিয়েছিলেন, কিন্তু এটা তার শেষ হয়ে যায়।”
📰 বিস্তারিত
গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে আঘাতপ্রাপ্তদের পরিবাররা আশা ও শোকের মিশ্র অনুভূতিতে আছেন। হায়াত আল-আজলাহ তার আট বছর বয়সী কন্যা ডালিয়া খুঁজছেন, যিনি রুবল থেকে বের করে আনতে পারেননি। হায়াত বলেন, “আমি জাগতে গেলাম ফোন চেক করতে। তখনই শুনলাম একটা ভেঙ্গে পড়ার শব্দ। মনে হলো আমাদের নিচ থেকে কিছু পড়ে আসছে।”
হায়াতের পরিবারের ৯ সদস্য মারা গেছেন, যার মধ্যে তার ৭৪ বছর বয়সী বাবা, মা, চার ভাইবোন এবং তিন নাতি-নাতনী অন্তর্ভুক্ত। তার ১২ বছর বয়সী ছেলে যাসেরও মারা যান। হায়াত বলেন, “আমি শুনলাম আমার বাবা আমার ছেলে যাসেরের ডাক করছেন। ‘যাসের, যাসের,’ তিনি ডাকছিলেন, তারপর তার আওয়াজ হারিয়ে গেল। আমি প্যানিক হয়ে পড়লাম এবং আমার চার ছেলেমেয়ে ডাকতে শুরু করলাম।”
হায়াতের পরিবার গাজার শুজায়া থেকে ডের এল-বালাহে বসতি পরিবর্তন করে এসেছিলেন। তারা একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের তৃতীয় তলার খালি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস শুরু করেন, যা একটি বন্ধুর মাধ্যমে পেয়েছিলেন। হায়াত বলেন, “আমার মা ভবনটি ভয় পেতেন এবং আমার বাবা অন্য জায়গা খুঁজছিলেন। কিন্তু আমরা টেন্ট থেকে বেরিয়ে আসতে চাইতাম।”
আল-শিফা হাসপাতালে উম্ম মাহমুদ সাদা তার ছেলে মাহমুদ ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজে আছেন। মাহমুদের পরিবারও ভবনের ভেঙ্গে পড়ায় নিহত হন। তার মা বলেন, “তিনি একটি রাস্তার মাঝখানে টেন্টে বসবাস করতেন, অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ ছিল। এক বন্ধু তাকে এই ভবনে আশ্রয় দিয়েছিলেন, কিন্তু এটা তার শেষ হয়ে যায়।”
"আমি জাগতে গেলাম ফোন চেক করতে। তখনই শুনলাম একটা ভেঙ্গে পড়ার শব্দ। মনে হলো আমাদের নিচ থেকে কিছু পড়ে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা সিটি, গাজা স্ট্রিপ (আল-সাদা ভবন, আল-শিফা হাসপাতাল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হায়াত আল-আজলাহ, উম্ম মাহমুদ সাদা, মাহমুদ সাদা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ জন নিহত, ৯ জন হায়াতের পরিবারের সদস্য, ৭৪ বছর বয়সী বাবা, ১২ বছর বয়সী ছেলে যাসের, ৮ বছর বয়সী কন্যা ডালিয়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!