📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর ভবনধসে ২০ নিহত, শতাধিক আটকা পড়ে ধ্বংসস্তূপে

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর ভবনধসে ২০ নিহত, শতাধিক আটকা পড়ে ধ্বংসস্তূপে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের আগের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন রাতের বেলায় ধসে পড়ে। এতে নারী-শিশুসহ ২০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ আটকা পড়েছে। ইসরায়েলের বিধিনিষেধের কারণে উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবন রাতের বেলায় ধসে পড়ে। এতে নারী-শিশুসহ অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সময় রাতের বেলায় ছয়তলা ভবনটি ধসে পড়ায় নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশু রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজায় ইসরায়েলের আগের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ছয়তলা ভবন রাতের বেলায় ধসে পড়ে, নারী-শিশুসহ ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন
  • 📌 ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি আটকা পড়েছেন, উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি করছে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ
  • 📌 নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশু রয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের বের করে আনছেন হাত দিয়ে
  • 📌 গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, উদ্ধারকাজে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে
  • 📌 গাজার মেয়র ইয়াহিয়া আল-সাররাজ বলেন, ভবনধসের ঘটনা এটিই প্রথম নয়, ভবিষ্যতেও আরও ঘটনা হতে পারে

📰 বিস্তারিত

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের আগের একটি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন রাতের বেলায় ধসে পড়ে। এ ঘটনায় নারী-শিশুসহ অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক ফিলিস্তিনি আটকা পড়েছেন। স্থানীয় সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে স্থানীয়রাও হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকর্মীদের সাহায্য করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং ভিডিওতে দেখা গেছে, সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা জীবিতদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুদের সাহায্যের জন্য চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট মেয়েকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা আরও শিশুসহ কয়েকজনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনছেন, তাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের দুর্ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল-জাজিরাকে জানান, সিভিল ডিফেন্সের দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, উদ্ধারকারী দলের কাছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষের কাছে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের আগের একটি বিমান হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই হামলার পর ভবনটিতে ফাটল ধরেছিল এবং এর কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পরে সেটিই ধসে পড়ে।

গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় একটি বিবৃতিতে এই ঘটনার জন্য ইসরায়েল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘সম্পূর্ণ ও সরাসরি’ দায়ী করেছে। কার্যালয়টি বলেছে, ছয়তলা ভবনটিতে প্রতিটি তলায় চারটি করে আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ছিল। ভবনটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, যার ফলে কাঠামোগত দৃঢ়তা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সেটি ধসে যায়।

"ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি আটকা রয়েছেন। উদ্ধারকারী দলের কাছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় কাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।"

গাজা সিটির মেয়র ইয়াহিয়া আল-সাররাজ আল-জাজিরাকে বলেন, ‘এটি কোনো ভবনধসের প্রথম ঘটনা নয়। আমরা আশঙ্কা করছি, এটিই শেষ ঘটনাও নাও হতে পারে।’ তিনি আরও জানান, সিটি করপোরেশন ও সিভিল ডিফেন্স ‘অচল’ হয়ে পড়েছে। মানুষকে উদ্ধারে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের হাতে নেই।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা উপত্যকা, ফিলিস্তিন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ বাসাল (গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র), ইয়াহিয়া আল-সাররাজ (গাজা সিটির মেয়র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন নিহত, ১৪ জন আহত, ১০০+ আটকা পড়া মানুষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖