📌 ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক আদালত ১৫ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাবিত আইনটি স্থগিত করেছে। আদালতের মতে, আইনে বয়স যাচাইয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে
ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক আদালত দেশটির সরকারের প্রস্তাবিত আইনটি স্থগিত করেছে, যেখানে ১৫ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছিল। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে বিরোধপূর্ণ হতে পারে এবং এতে ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সের সাংবিধানিক পরিষদ স্থগিত করেছে ১৫ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাবিত আইনটি
- 📌 আদালতের মতে, আইনে বয়স যাচাইয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় তা ব্যক্তির স্বাধীনতা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে
- 📌 ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরকারকে নতুন খসড়া প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন
- 📌 অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে
- 📌 ফ্রান্স সরকার চায় ২০২৭ সালের বসন্তের আগেই আইনটি সংস্কার করে কার্যকর করতে
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের সাংবিধানিক পরিষদ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক রায়ে জানায়, ১৫ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাবিত আইনটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ও স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। আদালতের মতে, এমন ব্যবস্থা ব্যক্তির স্বাধীনতা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। ফলে বর্তমান আকারে আইনটি কার্যকর করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।
এর আগে ফ্রান্সের আইনপ্রণেতারা এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছিলেন। আইনটি কার্যকর হলে অস্ট্রেলিয়ার পর ইউরোপে প্রথম দেশ হিসেবে ফ্রান্স এ ধরনের পদক্ষেপ নিত। গত ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউব ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
আদালতের সিদ্ধান্তের পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরকারকে আইনটির খসড়া পুনর্লিখনের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এলিসে প্রাসাদ থেকে জানানো হয়েছে, সাংবিধানিক পরিষদের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে নতুন খসড়া প্রস্তুত করা হবে। সরকার চায় ২০২৭ সালের বসন্তের আগেই এই সংস্কার কার্যকর করতে। উল্লেখ্য, ওই সময় ফ্রান্সে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
"প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ছাড়া এ ধরনের ব্যবস্থা ব্যক্তির স্বাধীনতা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই বর্তমান আকারে আইনটি কার্যকর করা সম্ভব নয়।"
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষাই এখন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ১৬ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!