📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভে সড়ক অবরোধ ও মার্কেট-কারখানা ভাঙচুর: ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে আন্দোলন

মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভে সড়ক অবরোধ ও মার্কেট-কারখানা ভাঙচুর: ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে আন্দোলন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে ঢাকার মিরপুরে শ্রমিকরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে। পরে শাহ আলী এলাকায় মার্কেট ও কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক শ্রমিক আহত হন

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে ঢাকার মিরপুরে শ্রমিকরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে। বিক্ষোভের সময় মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বর এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শ্রমিকরা শাহ আলী এলাকায় জড়ো হয়ে মার্কেট ও পোশাক কারখানায় ভাঙচুর চালান, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক শ্রমিক আহত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুরে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে সকাল ১০:৩০ থেকে দুপুর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ চালানো হয়
  • 📌 মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বর এলাকায় যান চলাচল বন্ধ, কর্মজীবী ও যাত্রীদের জন্য দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরি হয়
  • 📌 শাহ আলী এলাকায় হিমালয় গার্মেন্টস ও বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর, শ্রমিকরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন
  • 📌 মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় তৌফিক নামের এক শ্রমিক আহত হওয়ার পর মল্লিক টাওয়ারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে
  • 📌 পল্লবীর কালশী এলাকার ২২ তলা গার্মেন্টসে শ্রমিকরা ভাঙচুর চালান, পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
  • 📌 পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত ব্যক্তিদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

📰 বিস্তারিত

মিরপুরে বিক্ষোভের সূচনা হয় শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে। সেখানে অবস্থান নেওয়া শ্রমিকরা মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১২ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। দিলরুবা নামের এক পোশাকশ্রমিক বলেন, পরিবার নিয়ে ঢাকায় টিকে থাকা তাদের জন্য বর্তমান মজুরি অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি দাবি করেন, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হলে তারা কোনোরকমে বেঁচে থাকতে পারবেন।

দুপুরের দিকে শ্রমিকরা মিরপুর-১ নম্বর শাহ আলী এলাকায় জড়ো হন। বেলা ২টা ৫ মিনিটে হিমালয় গার্মেন্টসের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন শ্রমিকরা। সংঘর্ষের পর শ্রমিকরা কারখানায় ভাঙচুর চালান। পাশের বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সেও দোকানিদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। পরে শ্রমিকরা মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় অবস্থানরত অন্য শ্রমিকদের ফোন করে সেখানে আসতে বলেন। সেখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ শ্রমিক এসে মার্কেটটিতে ভাঙচুর চালায়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় তৌফিক নামের এক শ্রমিক আহত হওয়ার পর শ্রমিকরা মিরপুর-১ নম্বর মাজারসংলগ্ন বাজার ও মার্কেট এলাকায় ভাঙচুর চালান। পরে তারা মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় চলে যান। বেলা ৩টা ২০ মিনিটে পল্লবীর কালশী এলাকার ২২ তলা গার্মেন্টসে বহিরাগত শ্রমিকরা ভাঙচুর চালান। এতে মিরপুরের একাধিক এলাকায় বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে।

"পরিবার নিয়ে ঢাকায় টিকে থাকা আমাদের জন্য বর্তমান মজুরি অসম্ভব। ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হলে আমরা কোনোরকমে বেঁচে থাকতে পারব"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিলরুবা (পোশাকশ্রমিক), তৌফিক (আহত শ্রমিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০-৪০০ জন শ্রমিক, ৩০ হাজার টাকা (ন্যূনতম মজুরি দাবি), ২২ তলা গার্মেন্টস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖