📌 জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবছর এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী জাপানে যাবার মিথ্যা দাবি। সরকারি সূত্র থেকে জানা যায়, কোনো চুক্তি হয়নি এবং জাপান থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা আলোচিত হয়েছে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবছর এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী জাপানে যাবার মিথ্যা দাবি। দাবিটি সত্য নয়। সরকারি সূত্র থেকে জানা যায়, কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি এবং জাপান থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা আলোচিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবছর এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী জাপানে যাবার মিথ্যা দাবি, যা ১৮ লাখ বার দেখা হয়েছে এক্সে।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাথে বৈঠকে জাপানি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা আলোচিত হয়েছে, কিন্তু কর্মী নিয়ে যাবার কোনো চুক্তি হয়নি।
- 📌 জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সেক্রেটারি কিতামুরা তোশিহিরো বলেছেন, প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো সত্যতা নেই।
- 📌 জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ সম্মেলনে (২৭ অক্টোবর) কর্মী নিয়ে যাবার কোনো সিদ্ধান্ত বা চুক্তি হয়নি।
- 📌 জাপান-বাংলাদেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- 📌 ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত ‘ইএসডিপি-এমওসি’ চুক্তিতে বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো লক্ষ্যমাত্রা নেই।
- 📌 ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু হবে, কিন্তু প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
- 📌 গত বছরের ২৯ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জাপানের ক্রমবর্ধমান শ্রমিকসংকট মোকাবিলায় পাঁচ বছরে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল, যা ছিল লক্ষ্যমাত্রা, না চুক্তি।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবছর এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী জাপানে যাবার মিথ্যা দাবি। দাবিটি সত্য নয়। সরকারি সূত্র থেকে জানা যায়, কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির পোস্টটি ১৮ লাখ বার দেখা হয়েছে এক্সে। কিছু সংবাদমাধ্যমেও এই দাবি প্রকাশিত হয়েছে।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সেক্রেটারি কিতামুরা তোশিহিরো ২৯ অক্টোবর এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে দাবিটি মিথ্যা বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, জাপান সরকার বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো সিদ্ধান্ত নেনি। জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ সম্মেলনেও (২৭ অক্টোবর) এই বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি।
জাপান-বাংলাদেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই বিবৃতিতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়ে যাবার কোনো উল্লেখ নেই।
১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত ‘ইএসডিপি-এমওসি’ চুক্তিতে বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়বে। ফলে চুক্তিটির মোট মেয়াদ হবে ১০ বছর। তবে এই চুক্তিতে প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো লক্ষ্যমাত্রা বা নিশ্চয়তা নেই।
১৯ অক্টোবর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু হবে। তবে এই চুক্তিতে প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
"জাপান সরকার বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নিয়ে যাবার কোনো সিদ্ধান্ত নেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির কোনো সত্যতা নেই।"
গত বছরের ২৯ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জাপানের ক্রমবর্ধমান শ্রমিকসংকট মোকাবিলায় পাঁচ বছরে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তবে এই তথ্যটিও ছিল লক্ষ্যমাত্রা, না চুক্তি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপান, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, কিতামুরা তোশিহিরো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ, ১৮ লাখ, ২৯ অক্টোবর, ২৭ অক্টোবর, ১৯ অক্টোবর, ১৭ অক্টোবর, ১০ বছর, ২৯ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!