📌 ফিজি সরকার প্রতি ৫০ গর্ভবতী নারী ও প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের এইচআইভি আক্রান্ততার কারণে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু বলেছেন, মহামারির পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন। ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে নতুন সংক্রমণ ১২ গুণ বেড়েছে
ফিজি সরকার এইচআইভি মহামারির কারণে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা মন্ত্রী ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু জানান, প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এবং প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে এই হার ছিল প্রতি ১৬৭ জনে একজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিজিতে প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত, প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন সংক্রমিত
- 📌 সরকার ঘোষণা করে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা, মহামারী হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রী
- 📌 ২০২৫ সালে নতুন ২ হাজার ৬০ জনের এইচআইভি শনাক্ত, ২০১০ থেকে সংক্রমণ ১২ গুণ বেড়েছে
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান
- 📌 ফিজিতে ১০ লাখেরও কম মানুষের বসবাস, ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে নতুন সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে এমন দেশগুলোর একটি
📰 বিস্তারিত
ফিজির স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা মন্ত্রী ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, এইচআইভি সংক্রমণের হার দ্রুত বৃদ্ধির কারণে শুধু প্রাদুর্ভাব পর্যায়ের ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, ‘ফিজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছি। মহামারির ভয়াবহতা এবং দেশের জরুরি অবস্থা ও সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ফিজিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত। এছাড়াও প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন সংক্রমিত। ২০২৫ সালে নতুন করে ২ হাজার ৬০ জনের এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
ফিজিতে ১০ লাখেরও কম মানুষের বসবাস। ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে নতুন এইচআইভি সংক্রমণ সবচেয়ে দ্রুত বাড়ছে এমন দেশগুলোর একটি ফিজি। ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে নতুন এইচআইভি সংক্রমণ ১২ গুণ বেড়েছে।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফিজির ভৌগোলিক অবস্থান এবং মাদক পাচারের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি সংকটকে আরও জটিল করেছে। অনিরাপদভাবে মাদক গ্রহণের জন্য ইনজেকশন ব্যবহার, স্বাস্থ্য সম্পর্কে কম সচেতনতা, সাংস্কৃতিক কারণে তৈরি সামাজিক কলঙ্ক এবং পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগের ঘাটতিও সংকটকে তীব্র করেছে।
ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, ফিজিতে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের সংক্রমণের ধরন জানা গেছে, তাঁদের অর্ধেকের বেশি যৌন সংক্রমণের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছেন। আর ৪২ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে সংক্রমণের সঙ্গে ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে ফিজিতে আনুমানিক ৯ হাজার ১০০ মানুষ এইচআইভি আক্রান্ত ছিলেন। তাঁদের মাত্র ৩৯ শতাংশ জানতেন যে তাঁরা এইচআইভিতে আক্রান্ত। আর মাত্র ২২ শতাংশ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
"ফিজির পরিস্থিতি ‘বিশ্বের জন্য একটি স্পষ্ট স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে এইডস এখনো শেষ হয়ে যায়নি’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফিজি (প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু (স্বাস্থ্য মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর ১ জন, প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের ১ জন, ২ হাজার ৬০ জন নতুন সংক্রমণ, ১২ গুণ বেড়েছে সংক্রমণ, ৯ হাজার ১০০ আক্রান্ত ব্যক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!