📌 নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ গ্লোরিয়া স্টেইনেম নিউইয়র্কে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে
নারীবাদী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত মার্কিন নারীবাদী নেতা ও সাংবাদিক গ্লোরিয়া স্টেইনেম নিউইয়র্ক সিটির নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। স্টেইনেমের ফাউন্ডেশনের বরাতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিবিসি জানায়, স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ গ্লোরিয়া স্টেইনেম মৃত্যুবরণ করেছেন
- 📌 তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর
- 📌 নিউইয়র্ক সিটির নিজ বাড়িতে স্বজনদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যু হয়
- 📌 স্টেইনেম নারীর সমঅধিকার ও স্বাধীনতার জন্য পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে সোচ্চার ছিলেন
- 📌 তিনি ‘উইমেন’স অ্যাকশন অ্যালায়েন্স’ ও ‘Ms. ম্যাগাজিনের সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন
- 📌 নারীর প্রজনন অধিকার, সমকামীদের বিবাহ বৈধকরণ ও সমান মজুরির পক্ষে সক্রিয় ছিলেন
- 📌 মৃত্যুদণ্ড ও নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতির বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছেন
- 📌 ১৯৩৪ সালের ২৫ মার্চ ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলিডোয় তাঁর জন্ম
📰 বিস্তারিত
নারীবাদী আন্দোলনের বিশ্বখ্যাত নেতৃত্বের প্রতীক গ্লোরিয়া স্টেইনেম নিউইয়র্কে মৃত্যুবরণ করেছেন। স্টেইনেমের ফাউন্ডেশনের বরাতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে স্বজনদের উপস্থিতিতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। স্টেইনেম যুক্তরাষ্ট্রের নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে নারীর সমঅধিকার ও স্বাধীনতার জন্য সোচ্চার ছিলেন।
গ্লোরিয়া স্টেইনেম লেখক ও ম্যাগাজিন সম্পাদক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৭০-এর দশকে নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। স্টেইনেম ‘উইমেন’স অ্যাকশন অ্যালায়েন্স’ নামে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ১৯৭২ সালে তিনি ‘Ms. ম্যাগাজিন সহপ্রতিষ্ঠা করেন, যা প্রচলিত নারীবিষয়ক প্রকাশনার চেয়ে ছিল ব্যতিক্রমী। গৃহস্থালি ও সৌন্দর্যের মতো প্রচলিত বিষয় ছাড়িয়ে নারীর অধিকার, বৈষম্য ও সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ায় ম্যাগাজিনটি দ্রুত আলোচনায় আসে।
নারীর প্রজনন অধিকার, সমকামীদের বিবাহ বৈধকরণ, নারীর সমান মজুরি ও সম অধিকারসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। মৃত্যুদণ্ড এবং নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতির বিরুদ্ধেও তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্টেইনেম তাঁর জীবনের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠাকারী ১৯৭৩ সালের ‘রো বনাম ওয়েড’ রায়ের প্রতি সমর্থন জানান। সেই ঐতিহাসিক রায় পরবর্তীতে বাতিল হওয়ার ঘটনাও তিনি প্রত্যক্ষ করেন।
"অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা এবং মানুষকে নিজের অস্তিত্বের স্বীকৃতি দেওয়াই ছিল স্টেইনেমের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁর কাজ ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপরও প্রভাব ফেলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্লোরিয়া স্টেইনেম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!