📌 ভারতের ভোপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যে প্ররোচিত হয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হত্যার পর তার অণ্ডকোষ কেটে পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ করেছিল বলে জানা গেছে
ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ভোপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হত্যার পর তার অণ্ডকোষ কেটে একটি পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ করেছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
🔴 মূল ঘটনা
- 📌 ভারতের ভোপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যে প্ররোচিত হয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার
- 📌 অভিযুক্তরা হত্যার পর নিহত কিশোরের অণ্ডকোষ কেটে পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ করে
- 📌 হত্যার পর অঙ্গটি বিক্রির সম্ভাব্য ক্রেতা খুঁজে ব্যর্থ হওয়ায় অভিযুক্তরা তা পানিতে ফেলে দেয়
- 📌 ভুয়া তথ্যের উৎস খুঁজতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ভোপালে ইনস্টাগ্রামে একটি ভুয়া ভিডিও দেখে এক কিশোরকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল তিনজন অভিযুক্ত। বিবিএ পড়ুয়া জোহেব খান নিজেকে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে জাহির করে অন্যদের বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে ১৫-১৬ বছর বয়সী কোনো কিশোরের অণ্ডকোষ বিক্রি করে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি আয় করা সম্ভব। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন জোহেব খান (২০), আমির কুরাইশিসহ (১৮) আরও একজন।
গত ৬ আগস্ট অভিযুক্তরা নিহত কিশোর রেহানকে (১৭) ইকবাল ময়দান থেকে ১০০ রুপির প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন ঢোবিঘাট এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহানের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অভিযুক্তরা তার অণ্ডকোষ কেটে একটি পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ করে।
তদন্তকারীরা জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে কারও কাছে অঙ্গটি বিক্রির কোনো পূর্ব পরিকল্পনা ছিল না। কয়েক দিন ধরে ক্রেতা খুঁজে ব্যর্থ হওয়ায় তারা বুঝতে পারে পুরো বিষয়টি একটি গুজব ছিল। এরপর তারা সেই অঙ্গটি পানিতে ফেলে দেয়। ভোপাল পুলিশের জোন-৩ এর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আয়ুষ গুপ্ত জানান, ইনস্টাগ্রামের ভিডিও দেখার পর জোহেব নিজেই চক্রান্তের মূল পরিকল্পনা সাজান।
"অভিযুক্তরা হত্যার পর নিহত কিশোরের অণ্ডকোষ কেটে একটি পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ করেছিল। তারা ক্রেতা খুঁজে ব্যর্থ হওয়ায় অঙ্গটি পানিতে ফেলে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোপাল, মধ্যপ্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোহেব খান, আমির কুরাইশি, রেহান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ২০ লাখ রুপি, ৩ জন গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!