📌 বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। তিনি বলেছেন, সাময়িক ঝড় বা মেঘের বশে এই বন্ধনকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে বক্তব্যে তিনি বিশ্বের বর্তমান সংঘাত ও সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন
বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। তিনি বলেছেন, দু’দেশের মধ্যে সাময়িক ঝড় বা মেঘের বশে তাদের দীর্ঘকালীন বন্ধনকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। রোববার (৪ অক্টোবর) বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এম জে আকবর বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই সভ্যতাগত রাষ্ট্র, যার পরিচয় ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত
- 📌 দু’দেশের সম্পর্কে উত্থান-পতন থাকলেও সমস্যা সমাধানের জন্য ‘কেন এটি অসম্ভব’ প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজতে হবে
- 📌 সার্বভৌমত্বের অমান্য হলে বিশ্ব ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলায় পতিত হতে পারে
- 📌 বর্তমান যুদ্ধগুলো একক বিশ্বযুদ্ধ নয়, বরং বিশ্বব্যাপী চলমান ধারাবাহিক সংঘাত
- 📌 ঠান্ডা যুদ্ধও এক ধরনের বিশ্বযুদ্ধ, যার প্রভাব দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিল তীব্র
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিম রাষ্ট্র নয়, বরং ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে—এই কথা বলেন এম জে আকবর। তিনি উল্লেখ করেন, দু’দেশের সম্পর্কে উত্থান-পতন থাকলেও, সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে শুধু ‘কী সম্ভব’ প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা যথেষ্ট নয়। ‘কেন এটি অসম্ভব’ প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজতে হবে, তাহলেই নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে যেতে পারে।
সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সার্বভৌমত্ব যদি সম্মানিত না হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যেতে পারে। বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো যুদ্ধকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হলে তার উৎস ও পটভূমি খুঁজে দেখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বিংশ শতাব্দী ছিল তিনটি বিশ্বযুদ্ধের শতাব্দী। ঠান্ডা যুদ্ধও তিনি এক ধরনের বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করেন, যেখানে ইউরোপে এটি হয়তো ঠান্ডা ছিল, কিন্তু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকায় এর প্রভাব মোটেও ঠান্ডা ছিল না।
একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধের ধরন আগের তুলনায় ভিন্ন, বলেন এম জে আকবর। বর্তমান সময়ের যুদ্ধকে একটি একক বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে দেখা যায় না, বরং এটি বিশ্বব্যাপী চলমান ধারাবাহিক সংঘাত। এসব যুদ্ধ একটানা চলে না, পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হয়, কিন্তু পুরোপুরি থেমেও যায় না।
"বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই সভ্যতাগত রাষ্ট্র। বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি রাষ্ট্রের পরিচয় নয়; বরং ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বে অব বেঙ্গল কনফারেন্স (ভারত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম জে আকবর (সাবেক ভারতীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ অক্টোবর (বক্তব্যের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!