📌 জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ইউরোপ মহাদেশ ইতিহাসের উষ্ণতম জুন-জুলাই মাস পার করেছে। পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের ঘটনা দেখা দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা এল নিনোর প্রভাবকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মধ্য দিয়ে ইউরোপ মহাদেশ ইতিহাসের উষ্ণতম জুন-জুলাই মাস পার করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর গ্রীষ্মের প্রথম দুই মাসে পশ্চিম ইউরোপের গড় তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউরোপ মহাদেশ ইতিহাসের উষ্ণতম জুন-জুলাই মাস পার করেছে
- 📌 পশ্চিম ইউরোপের গড় তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 📌 এল নিনোর প্রভাবে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ফ্রান্স, স্পেন, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও যুক্তরাজ্যে চরম শুষ্ক পরিস্থিতি দেখা গেছে
- 📌 জার্মানি, ফ্রান্স ও ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো খরায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর ইউরোপ মহাদেশ ইতিহাসের উষ্ণতম জুন-জুলাই মাস পার করেছে। পশ্চিম ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের ঘটনা দেখা দিয়েছে। কোপার্নিকাসের তথ্য অনুসারে, জুন-জুলাই মাসে পশ্চিম ইউরোপের গড় তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। পূর্ববর্তী রেকর্ডটি ছিল ২০২২ সালে।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো বলেন, ‘এ বছর গ্রীষ্মের প্রথম দুই মাসে দীর্ঘ সময় ধরে অস্বাভাবিক গরম আবহাওয়া থাকার কারণে তাপমাত্রা রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর মুখোমুখি, যার তীব্রতা সম্ভবত নজিরবিহীন হতে পারে।’
ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টসের (ইসিএমডব্লিউএফ) বিজ্ঞানী সামান্থা বার্গেস বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে চরম তাপপ্রবাহকে আরও তীব্র করে তুলছে, এটি তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহ ও খরা ক্রমেই একে অপরকে শক্তিশালী করছে এবং পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলছে।’
গত জুলাই মাসে ফ্রান্স, স্পেন, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের কিছু অংশে চরম শুষ্ক পরিস্থিতি দেখা গেছে। এছাড়া জার্মানি, ফ্রান্স ও ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ দানিউব নদী খরায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে ইউরোপের কয়েকটি দেশে পরিবহন, সেচব্যবস্থা এবং জ্বালানি উৎপাদন কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
‘জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে চরম তাপপ্রবাহকে আরও তীব্র করে তুলছে, এটি তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহ ও খরা ক্রমেই একে অপরকে শক্তিশালী করছে এবং পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলছে।’ — সামান্থা বার্গেস, ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপ মহাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্লো বুয়োনতেম্পো, সামান্থা বার্গেস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ দশমিক ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!