📌 পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের পরিবারগুলো বিচারের জন্য বছরের পর বছর ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। জিয়াদ জিলানির হত্যার ১৬ বছর পরও তার স্ত্রী মোইরা জিলানি বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন
পূর্ব জেরুজালেমের শুয়াফ এলাকায় নিজের শ্বশুরবাড়ির সেই বাড়িতেই এখনও বসবাস করছেন মোইরা জিলানি। ষোল বছর আগে তার স্বামী জিয়াদ জিলানিকে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুলি করে হত্যা করেছিল। সেই হত্যার ঘটনার বিচার এখনও হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পূর্ব জেরুজালেমের শুয়াফ এলাকায় ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় নিহত হন জিয়াদ জিলানি
- 📌 হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ইসরায়েলি কর্মকর্তা ম্যাক্সিম ভিনোগ্রাডভের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি
- 📌 জিয়াদের স্ত্রী মোইরা জানান, তার স্বামীকে 'সন্ত্রাসী' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল ভিত্তিহীন তথ্যের ভিত্তিতে
- 📌 জিয়াদ হত্যার ঘটনা ঘটে ২০১০ সালের ১১ জুন, যখন তিনি তার মেয়েদের নিয়ে সমুদ্রে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন
- 📌 আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালিত হওয়া 'সন্ত্রাসের শিকারদের স্মরণ দিবস'-এ ফিলিস্তিনিরা এখনও বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
জিয়াদ জিলানি ছিলেন একজন প্রাণবন্ত মানুষ। তার হাসির কথা মনে করতে পারেন তার স্ত্রী মোইরা। ইসরায়েলি মানবাধিকার কর্মীদের তদন্তে তার শেষ মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশিত হলেও, তার স্ত্রী সেই ভিডিওর চেয়ে তার হাসির কথাই বেশি মনে করতে পারেন। জিয়াদ ছিলেন একজন সহজ-সরল মানুষ, যিনি ইসরায়েলিদের সাথে বন্ধুত্ব করতেন। তিনি তার স্ত্রী মোইরাকে ইসরায়েলিদের বিয়ের অনুষ্ঠানে নিয়ে যেতেন।
২০১০ সালের ১১ জুন জিয়াদ তার পিকআপ ট্রাক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় পূর্ব জেরুজালেমের ওয়াদি আল-জোজ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনি যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। একটি পাথর তার উইন্ডশিল্ডে আঘাত করলে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং দুজন ইসরায়েলি পুলিশ সদস্যকে সামান্য আহত করেন। এরপর একজন সীমান্ত পুলিশ কর্মকর্তা তাকে গুলি করেন। তিনি গাড়ি থেকে নামার চেষ্টা করলে তাকে পিঠে গুলি করা হয়। পরে তাকে মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় কাছ থেকে দুইবার গুলি করে হত্যা করা হয়।
মোইরা জানান, জিয়াদের হত্যার কয়েক সপ্তাহ আগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ম্যাক্সিম ভিনোগ্রাডভ অনলাইনে আরবদের হত্যা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
"[ইসরায়েল] সবাইকে মগজ ধোলাই করেছিল যে ফিলিস্তিনিরা সন্ত্রাসী। কিন্তু যারা হুমকির মুখে রয়েছে এবং নিহত হচ্ছে তারা হলো ভুক্তভোগী। তাই আমার কাছে যারা বন্দুক ধরে আছে তারা হলো প্রকৃত সন্ত্রাসী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব জেরুজালেম, শুয়াফ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোইরা জিলানি, জিয়াদ জিলানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর, ২০১০ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!