📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের সময় অস্ত্রোপচারে জন্ম নেয় মারিয়া ফ্লোরিডার কন্যাসন্তান। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি হাসপালে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় টর্চের আলোয় সম্পন্ন হয় অস্ত্রোপচার। ভূমিকম্পে অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় মারিয়া ফ্লোরিডা নোগো কেলেনের কন্যাসন্তান। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত নেগেকেও অঞ্চলের বাসিন্দা মারিয়া। ভূমিকম্পের সময় হাসপাতালের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় চিকিৎসকরা টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমিকম্পের সময় অস্ত্রোপচারে জন্ম নেয় মারিয়ার কন্যাসন্তান
- 📌 ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭
- 📌 মারিয়ার বয়স ৩৯ বছর
- 📌 ভূমিকম্পে অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে
- 📌 শিশুটির ওজন ছিল ১ দশমিক ৩ কেজি
- 📌 ভূমিকম্পের পর শিশুটির নাম রাখা হয় ‘গেমপিতা’
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শনিবার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত ইস্ট নুসা তেংগারা প্রদেশের নেগেকেও অঞ্চলের বাসিন্দা মারিয়া ফ্লোরিডা নোগো কেলেন। জটিল গর্ভাবস্থার কারণে তাঁর জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন দেখা দেয়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই মাস আগেই তাঁকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করাতে হয়।
ভূমিকম্পের সময় হাসপাতালের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে চিকিৎসকরা টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। মারিয়া বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের সময় আমি ভয় পাইনি। আমার সন্তানদের জন্য আমাকে সুস্থ থাকতে হতো। তাই মনে সাহস ছিল।’
ভূমিকম্পে প্রদেশটির শত শত বাড়ি ও হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়েছেন কি না তা খুঁজে দেখছেন উদ্ধারকর্মীরা। দুর্গত এলাকায় বিমানযোগে ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
"মানুষ হিসেবে আমরাও ভয় পেয়েছিলাম। শিশুটি ছোট হওয়ায় অস্ত্রোপচারটি কঠিন ছিল। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের কাছে ভেন্টিলেটরও ছিল না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইস্ট নুসা তেংগারা, ইন্দোনেশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারিয়া ফ্লোরিডা নোগো কেলেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দশমিক ৭, ৫৪, ১ দশমিক ৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!