📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিল্লির শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা: সরকারের ধর্মনিরপেক্ষতার যুক্তি ও আদালতের প্রশ্ন

দিল্লির শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা: সরকারের ধর্মনিরপেক্ষতার যুক্তি ও আদালতের প্রশ্ন

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার দিল্লির কৃষি ভবন চত্বরে অবস্থিত শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মসজিদটি সরানোর যুক্তি তুলে ধরলেও আদালত বিকল্প জায়গা প্রদানের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। মসজিদের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি ও ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার দিল্লির কৃষি ভবন চত্বরে অবস্থিত শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। সরকারি দপ্তরের চত্বরে ধর্মীয় স্থাপনা থাকা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে মসজিদ সরানোর ক্ষেত্রে বিকল্প জায়গা প্রদানের নিয়ম সম্পর্কে আদালত প্রশ্ন তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **কাদেমি মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা**: দিল্লির কৃষি ভবন চত্বরে অবস্থিত শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ভারত সরকার।
  • 📌 **ধর্মনিরপেক্ষতার যুক্তি**: সরকারের দাবি, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে ধর্মীয় স্থাপনা থাকা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
  • 📌 **আদালতের প্রশ্ন**: বিচারপতি দয়াল জানতে চেয়েছেন, ধর্মীয় স্থাপনা সরানোর ক্ষেত্রে বিকল্প জায়গা প্রদানের নিয়ম কী?
  • 📌 **মসজিদের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি**: ১৯১১ সাল থেকে মসজিদটির অস্তিত্বের নথি পাওয়া যায়। ১৯৭০ সালে দিল্লি সরকারি গেজেটে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 **আগামী শুনানি**: মামলাটির পরবর্তী শুনানি ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

📰 বিস্তারিত

সেন্ট্রাল ভিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি ভবন ও শাস্ত্রী ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের কারণে কাদেমি মসজিদ সরানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের যুক্তি, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রাখা তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত সরকারের অবস্থানের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো স্পষ্ট হয়েছে, উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে মসজিদটি বর্তমান অবস্থান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে মসজিদ সরানোর ক্ষেত্রে বিকল্প জায়গা প্রদানের নিয়ম সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। বিচারপতি দয়াল জানতে চান, কোনো ধর্মীয় স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হলে বিকল্প জায়গা দেওয়ার বিষয়ে কী নিয়ম রয়েছে।

কাদেমি মসজিদের ইতিহাস কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তিকে ঘিরে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তর করার পর নতুন রাজধানী নির্মাণের জন্য জমি জরিপ শুরু হয়। সেই সময়ের সরকারি নথিতেই মসজিদটির অস্তিত্বের উল্লেখ পাওয়া যায়। ১৯১২ সালে ব্রিটিশ স্থপতি এডউইন লুটিয়েন্স যখন নয়াদিল্লির নকশা তৈরি করছিলেন, তখনকার সরকারি মানচিত্রেও কাদেমি মসজিদের অবস্থান চিহ্নিত ছিল।

১৯৭০ সালের দিল্লি সরকারি গেজেটে কাদেমি মসজিদকে বৈধ ও তালিকাভুক্ত ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় থাকা ছয়টি মসজিদের সুরক্ষা চেয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড। তবে এবার কেন্দ্রের অবস্থানে পরিবর্তন দেখা গেছে। মসজিদ সরানোর পক্ষে ধর্মনিরপেক্ষতার যুক্তি তুলে ধরেছে সরকার।

"সরকারি সম্পত্তিতে ধর্মীয় স্থাপনা থাকা অননুমোদিত—সরকারের এই বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ ও প্রভাব পরিষ্কার হলে আদালতের পক্ষে আইনি অবস্থান নির্ধারণ সহজ হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত (কৃষি ভবন চত্বরে অবস্থিত কাদেমি মসজিদ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিচারপতি দয়াল, দিল্লি হাইকোর্টের আইনজীবী নিশান্ত গৌতম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নভেম্বর (মামলা প্রকাশ), ২৩ নভেম্বর (আগামী শুনানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖