📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ধ্বংসাত্মক প্রভাব: অন্ধ্র ও ওড়িশায় ৫ মৃত্যু, পশ্চিমবঙ্গে বজ্রপাত ও জলজমা সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ধ্বংসাত্মক প্রভাব: অন্ধ্র ও ওড়িশায় ৫ মৃত্যু, পশ্চিমবঙ্গে বজ্রপাত ও জলজমা সতর্কতা

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঘূর্ণিঝড় অর্ণব অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে, যেখানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যেখানে বজ্রপাত ও জলজমার আশঙ্কা রয়েছে

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ধ্বংসাত্মক প্রভাব ভারতের উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করেছে। বুধবার ২৯শে অক্টোবর অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে এই ঘূর্ণিঝড়, যা এখন দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু ঘোষণা করেছেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে রাজ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, রাজ্যে ব্যাপক পরিকাঠামো ও কৃষিজনিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যদিও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নির্ধারণের পথে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অন্ধ্রপ্রদেশে ৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত; ১৮০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও ২২০টিরও বেশি গাছ সড়কে পড়ে গেছে
  • 📌 মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়ে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত হিসাব ও কেন্দ্রীয় সহায়তার অনুরোধ জানান
  • 📌 ১৪টি জেলায় ১৬টি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও ১১টি রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল মোতায়েন করা হয়েছে
  • 📌 পশ্চিমবঙ্গে ২৯শে অক্টোবর থেকে ৩০শে অক্টোবর পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা জারি; বজ্রপাত ও জলজমার আশঙ্কা
  • 📌 কলকাতা পৌরসংস্থা জলজমা মোকাবিলায় ভারী পাম্প মজুত করেছে

📰 বিস্তারিত

অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব এখনও অব্যাহত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে রাজ্যের উত্তরাঞ্চল, কাকিনাড়া, কোনাসীমা এবং পূর্ব গোদাবরী জেলায় সর্বাধিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত হিসাবের পর কেন্দ্রের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে মোতায়েন করা বাহিনীগুলো সক্রিয় রয়েছে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় রাস্তা, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও কৃষিজমি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় অর্ণব এখন দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে এবং ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার বেগে উত্তর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২৮শে অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টায় এর কেন্দ্র ছিল দক্ষিণ ওড়িশা, দক্ষিণ ছত্তিশগড় এবং উত্তর-পূর্ব তেলেঙ্গানার সংলগ্ন এলাকায়। অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা, অনাকাপল্লে, কোনাসীমা ও পূর্ব গোদাবরী জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সর্বাধিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৯শে অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। শুক্রবার ৩০শে অক্টোবর পর্যন্ত পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বজ্রপাত ও জলজমার আশঙ্কা থাকায় কলকাতা পৌরসংস্থা সতর্কতা নেয়া শুরু করেছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভারী পাম্প মজুত করে জলজমা মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

"অনেক জায়গায় গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দমকল ও ওড়িশা বিপর্যয় মোকাবিলা দল দ্রুত গাছ সরিয়ে রাস্তা খুলে দিয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টিতে কিছু নদী ও নালা উপচে পড়ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অন্ধ্রপ্রদেশ (কাকিনাড়া, কোনাসীমা, পূর্ব গোদাবরী, কৃষ্ণা জেলা), ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ (দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন মৃত্যু, ১৮০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, ২২০টিরও বেশি গাছ পড়ে গেছে, ১৪টি জেলায় ১৬টি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖