📌 আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এশিয়ার পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বন্দী দিবস উপলক্ষে তারা বিশ্বে ৩০০-এর বেশি কারাবন্দী সাংবাদিকের সংখ্যা উল্লেখ করে সাংবাদিকতা নিরাপত্তার প্রতি সতর্কতা জানিয়েছে
আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বাংলাদেশের পাঁচ কারাবন্দী সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বন্দী দিবস উপলক্ষে সিপিজে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কারাবন্দী সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে যে, এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে পাঁচজন সাংবাদিক কারাবন্দী অবস্থায় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিপিজে বাংলাদেশের পাঁচ কারাবন্দী সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছে।
- 📌 ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বে ৩০০-এর বেশি সাংবাদিক কারাগারে আটক।
- 📌 চীন পাঁচ বছর ধরে সর্বাধিক সাংবাদিককে কারাগারে রাখছে (৫০ জন)।
- 📌 মিয়ানমার (৩০ জন) ও ইসরায়েল (২৯ জন) দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে।
- 📌 ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গ্রেপ্তার কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
- 📌 বাংলাদেশে পাঁচজন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ না করলেও সিপিজে তাদের মুক্তির দাবি করেছে।
📰 বিস্তারিত
সিপিজে তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টে বলেছে, ‘আমরা এশিয়ার আটটি দেশের কারাবন্দী সাংবাদিকদের পাশে আছি’। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে পাঁচজন, চীনে ৫০জন, মিয়ানমারে ৩০জন, ভিয়েতনামে ১৬জন, কম্বোডিয়ায় ৫জন, ভারতে ১জন, আফগানিস্তানে ১জন এবং ফিলিপাইনে ১জন সাংবাদিক কারাবন্দী অবস্থায় রয়েছে। সংগঠনটি বাংলাদেশসহ এসব দেশের সরকারকে কারাবন্দী সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সিপিজে আরও জানিয়েছে, সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে এবং তাদের সঙ্গে হওয়া নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। সংগঠনটি বলেছে, সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয় এবং বিশ্ব এ পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারে না।
সিপিজের সর্বশেষ বার্ষিক কারাগার জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৩০০ জনের বেশি সাংবাদিক কারাগারে ছিলেন। টানা পঞ্চম বছরের মতো কারাবন্দী সাংবাদিকের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, টানা তিন বছর ধরে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বেশি কারাগারে রেখেছে চীন। ২০২৫ সালে দেশটিতে অন্তত ৫০ জন সাংবাদিক বন্দী ছিলেন। মিয়ানমার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ৩০ জন সাংবাদিককে কারাগারে রেখে। অন্যদিকে ইসরায়েল ২৯ জন সাংবাদিককে কারাগারে রেখে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে।
সিপিজে উল্লেখ করেছে, ইসরায়েলের নাগরিকদের বিস্তৃত নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা থাকলেও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে বিচারব্যবস্থার মান সম্পূর্ণ ভিন্ন। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ১১০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে। কারাগারে সাংবাদিকদের অনেক সময় নিষ্ঠুর ও জীবননাশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে রাখা হয়। মুক্তি পাওয়া এক ফিলিস্তিনি বন্দী কারাগারের সেই পরিস্থিতিকে তুলনা করেছেন ‘জীবিত মানুষের কবরস্থান’-এর সঙ্গে।
"সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়। বিশ্ব এ পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, চীন, মিয়ানমার, ইসরায়েল, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিপিজে (কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০+ কারাবন্দী সাংবাদিক, ৫০ (চীন), ৩০ (মিয়ানমার), ২৯ (ইসরায়েল), ৫ (বাংলাদেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!