📌 কঙ্গোর দক্ষিণ কিভু প্রদেশের বুকাভুতে বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় একটি স্কুলে আগুন লেগে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আগুনে ছাত্র-ছাত্রীরা পাদদেশে চাপা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন
কঙ্গোর দক্ষিণ কিভু প্রদেশের বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত বুকাভুতে রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে একটি স্কুলে আগুন লেগে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাদদেশে চাপা দিতে বাধ্য হওয়ায় অনেকের মৃত্যু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০ জনেরও বেশি মৃত্যু**: দক্ষিণ কিভু প্রদেশের বুকাভুতে বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় স্কুলে আগুনে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই ছাত্র-ছাত্রী।
- 📌 **পাদদেশে চাপা দিতে বাধ্য**: স্থানীয় নেতা পাত্রিস বুদুগের তথ্য অনুযায়ী, আগুনে ছাত্র-ছাত্রীদের পাদদেশে চাপা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, “আগুনের পরে একটি সহিংস দৌড় শুরু হয়, যা ছাত্র-ছাত্রীদের একে অপরের উপর চাপা দিতে বাধ্য করে। অনেকের মাথা ঘুরে যায় এবং কেউ কেউ বেঁচে যাওয়ার চেষ্টা করে।”
- 📌 **১৪ জন ছোট ছেলেমেয়ের মৃত্যু**: স্থানীয় চিকিৎসক ক্রিস্টোফ জিগাশানের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৪ জন ছোট ছেলেমেয়ের মৃত্যু হয়েছে, যার সবাই ১০ বছর বা তার কম বয়সী। তিনি বলেছেন, “আমরা প্রায় ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং কিছু শিক্ষককে অক্সিজেনের অভাবের কারণে মারাত্মক অবস্থায় পেয়েছি। তাদের মধ্যে ১০ জন মারা গিয়েছিলেন এবং আরো চারজন স্থানেই মৃত্যুবরণ করেছেন। মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, সবাই ১০ বছরের কম বয়সী।”
- 📌 **৩০০-৫০০টি বাড়ি ও একটি ক্লিনিক ধ্বংস**: আগুনে স্কুলের পাশের এলাকায় ৩০০ থেকে ৫০০টি বাড়ি এবং একটি ক্লিনিক ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে, আগুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয় এবং মৃত্যুর সংখ্যা অস্থায়ী।
- 📌 **বুকাভুতে আগুনের ইতিহাস**: বুকাভুতে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বেশ কয়েকটি আগুন হয়েছে। শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) একটি আগুনে ৪৫টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কঙ্গোর দক্ষিণ কিভু প্রদেশের বুকাভুতে রবিবার সকাল ৮টার দিকে চিম্পুন্ডা জেলার উজামা এবং ফুরাহা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আগুন লেগে যায়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই আগুনে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৯ জন আহত হয়েছে। বিদ্রোহী প্রশাসনের কর্মকর্তা ডুনিয়া মাসুম্বুকো বোয়েঞ্জে জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনায় ১৯ জন মেয়ে এবং ৫ জন ছেলে মারা গেছেন।
বুকাভুতে বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসেবে পরিচিত এই শহরটি রুয়ান্ডা-সমর্থিত এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় চিকিৎসক ক্রিস্টোফ জিগাশান জানিয়েছেন, “আমরা প্রায় ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং কিছু শিক্ষককে অক্সিজেনের অভাবের কারণে মারাত্মক অবস্থায় পেয়েছি। তাদের মধ্যে ১০ জন মারা গিয়েছিলেন এবং আরো চারজন স্থানেই মৃত্যুবরণ করেছেন। মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, সবাই ১০ বছরের কম বয়সী।”
আল জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং আগুন স্কুলের দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে, আগুনে ৩০০ থেকে ৫০০টি বাড়ি এবং একটি ক্লিনিক ধ্বংস হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা এখনও অস্থায়ী এবং আগুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
"আগুনের পরে একটি সহিংস দৌড় শুরু হয়, যা ছাত্র-ছাত্রীদের একে অপরের উপর চাপা দিতে বাধ্য করে। অনেকের মাথা ঘুরে যায় এবং কেউ কেউ বেঁচে যাওয়ার চেষ্টা করে।"
"আমরা প্রায় ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং কিছু শিক্ষককে অক্সিজেনের অভাবের কারণে মারাত্মক অবস্থায় পেয়েছি। তাদের মধ্যে ১০ জন মারা গিয়েছিলেন এবং আরো চারজন স্থানেই মৃত্যুবরণ করেছেন। মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, সবাই ১০ বছরের কম বয়সী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুকাভু, দক্ষিণ কিভু প্রদেশ, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাত্রিস বুদুগে, ক্রিস্টোফ জিগাশান, ডুনিয়া মাসুম্বুকো বোয়েঞ্জে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন মৃত্যু, ২৯ জন আহত, ১৪ জন ছোট ছেলেমেয়ের মৃত্যু, ৩০০-৫০০টি বাড়ি ধ্বংস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!