📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের সিপিসি আন্তর্জাতিক মন্ত্রী সাক্ষাতে: রোহিঙ্গা সংকটে চীন বাংলাদেশের পাশে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান তারেক রহমান তারেক রহমান
চীনের সিপিসি আন্তর্জাতিক মন্ত্রী সাক্ষাতে: রোহিঙ্গা সংকটে চীন বাংলাদেশের পাশে

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং-এর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। রোহিঙ্গা সংকটে চীনের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের চাপের কথা তুলে ধরেন। লিউ হাইশিং বাংলাদেশের প্রতি চীনের অঙ্গীকার পুনরাবৃত্তি করেন এবং ভবিষ্যতে সম্পর্কের গভীরতা নিশ্চিত করেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং-এর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রোহিঙ্গা সংকটে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ১৩ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘদিনের উপস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ, জনমিতি ও পরিবেশে চাপ সৃষ্টি করেছে।
  • 📌 লিউ হাইশিং বলেছেন, চীন রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ শি জিনপিং-এর কাছে জানাবেন।
  • 📌 বেইজিং সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন যুগ ঘোষিত হয়েছে। লিউ হাইশিং বলেছেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহত সমর্থন দেবে এবং সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
  • 📌 বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর ও রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিপি)-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সম্পর্ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু হয়েছে এবং এখনও জনগণের হৃদয়ে বিশেষ স্থান রাখে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঐতিহাসিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব তাদের।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী ১৩ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘদিনের উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, জনমিতিক এবং পরিবেশগত চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি চীনের সহযোগিতা কামনা করেন এই সংকট সমাধানে। লিউ হাইশিং জবাবে বলেন, চীন রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের কথা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর কাছে জানাবেন।

লিউ হাইশিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি নতুন যুগের যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের প্রতি চীনের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিপি)-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়। লিউ হাইশিং বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রতি চীনের সমর্থনের কথা জানান।

"চীন রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে অবগত রয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের কথা শি জিনপিংকে অবহিত করবেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, লিউ হাইশিং, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ লাখ রোহিঙ্গা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖