📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে নির্বাচিত হন প্রথম প্রকাশ্য সমকামী পুরুষ সিনেটর ক্রিস পাপাস। তিনি রিপাবলিকান সাবেক সিনেটর জন ই. সানুনুকে পরাজিত করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখেছেন। এলজিবিটিকিউ অধিকার আন্দোলনে এটিকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখানো হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইতিহাসের নতুন পাতা খুললেন প্রথম প্রকাশ্য সমকামী পুরুষ সিনেটর ক্রিস পাপাস। নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে তিনি রিপাবলিকান দলের সাবেক সিনেটর জন ই. সানুনুকে পরাজিত করে সিনেট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রকাশ্য সমকামী পুরুষ হিসেবে সিনেটে পদে অধিষ্ঠিত হন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ক্রিস পাপাস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম প্রকাশ্য সমকামী পুরুষ সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হন
- 📌 নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে নির্বাচিত হন তিনি, রিপাবলিকান সাবেক সিনেটর জন ই. সানুনুকে পরাজিত করে
- 📌 ৪৬ বছর বয়সী পাপাসের রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল ২২ বছর বয়সে নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মাধ্যমে
- 📌 ৩ মেয়াদ দায়িত্ব পালনকারী ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিনের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি
- 📌 ২০১৮ সালের ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষের ঢেউতে প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হন পাপাস
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইতিহাসের নতুন মাইলফলক গড়লেন ক্রিস পাপাস। নিউ হ্যাম্পশায়ারের সিনেট নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান দলের সাবেক সিনেটর জন ই. সানুনুকে পরাজিত করে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। এভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রকাশ্য সমকামী পুরুষ হিসেবে সিনেট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। পাপাসের জয়কে এলজিবিটিকিউ অধিকার আন্দোলনের জন্য উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখানো হচ্ছে, বিশেষত যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সমকামী অধিকার নিয়ে বিরোধিতা বাড়ছে।
পাপাসের নির্বাচনী প্রচারে তিনি নিজের সমকামী পরিচয়কে বিশেষভাবে সামনে আনেননি, তবে তার জয়কে রাজনৈতিক অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় তিনি মূলত ডেমোক্র্যাটদের প্রচারের সাধারণ বিষয়গুলোই তুলে ধরেছিলেন, যেমন জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় ও স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমানোর প্রতিশ্রুতি এবং ওয়াশিংটনের দুর্নীতির বিরোধিতা।
৪৬ বছর বয়সী পাপাসের রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল ২২ বছর বয়সে নিউ হ্যাম্পশায়ারের অঙ্গরাজ্য আইনসভার প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হওয়ার মাধ্যমে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে জয় পাওয়ার ঢেউতে তার অংশগ্রহণ। এ পর্যন্ত তিনি প্রতিনিধি পরিষদে চার মেয়াদ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং কংগ্রেসের এলজিবিটিকিউ অধিকারবিষয়ক সংগঠন কংগ্রেশনাল ইকুয়ালিটি ককাসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাপাসের জয়ের ফলে তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিনের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। উল্লেখ্য, শাহিন পুনর্নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি।
"আমার মনে হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ যা-ই হোক না কেন, মানুষ আসলে চায় তাদের প্রতিবেশীরা যেন নিজেদের মতো করে বাঁচতে পারে।"
পাপাসের জয়কে এলজিবিটিকিউ অধিকার আন্দোলনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রকাশ্যে সমকামী হিসেবে পরিচিত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক গড়েছেন। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য বার্নি ফ্র্যাঙ্ক ১৯৮৭ সালে এবং ট্যামি বাল্ডউইন ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ব্যক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত হন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস পাপাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬ বছর বয়স, ২২ বছর বয়সে রাজনীতি শুরু, ৩ মেয়াদ সিনেটর জিন শাহিনের স্থলাভিষিক্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!