📌 ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ ও একতরফা নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে চীন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানান, সমস্যার সমাধান হতে পারে শুধুমাত্র রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক চাপ ও একতরফা নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে চীন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান স্পষ্ট করে বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে চীন
- 📌 জাতিসংঘের অনুমোদন ব্যতীত আরোপিত একতরফা নিষেধাজ্ঞার কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে জানান চীনা মুখপাত্র লিন জিয়ান
- 📌 সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণ ও রাজনৈতিক-কূটনৈতিক উপায় অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট চীনকে ইরান বিরোধী প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও অর্থনৈতিক চাপ তৈরির হুমকি দিয়েছেন। তার দাবি, এ ধরনের চাপের মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়া সম্ভব। তবে ইরান এই উদ্যোগকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ কৌশল ব্যর্থ হবে। যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পরও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে চীন স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে হবে এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে বিচ্ছিন্ন করতে চীনসহ বিভিন্ন দেশকে তাদের প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও চীনকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার অনুরোধ করেন। তবে তিনি মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ব্যক্তিগত পর্যায়ে হওয়াই উত্তম।
‘নিষেধাজ্ঞা ও চাপ কোনো সমস্যার সমাধানে সহায়ক হবে না।’ — লিন জিয়ান, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, বেইজিং
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিন জিয়ান (চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র), স্কট বেসেন্ট (মার্কিন অর্থমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!