📌 ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম দাবি করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে গত ১১ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে। পটুয়াখালীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন পরিচালনায় গত ১১ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করতে যে পরিবর্তন এসেছে, তা গত ১০৫ বছরের ইতিহাসে আর কেউ আনতে পারেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডাকসু ভিপির দাবি: গত ১১ মাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও ক্যাম্পাস নিরাপদ করতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন
- 📌 সাদিক কায়েম বলেন, তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাস থেকে মারামারি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে
- 📌 একাধিক জরিপে দেখা গেছে, ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসকে এখন সবচেয়ে নিরাপদ মনে করেন
- 📌 পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন
📰 বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম গতকাল শুক্রবার পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁর নেতৃত্বাধীন পরিচালনার ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বে গত ১১ মাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করতে যে পরিবর্তন এসেছে, তা গত ১০৫ বছরের ইতিহাসে আর কেউ আনতে পারেনি।
সাদিক কায়েম দাবি করেন, ডাকসুর বর্তমান নেতৃত্বের সময়ে ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একাধিক জরিপের বরাত দিয়ে দেখা গেছে, ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সময়ে ক্যাম্পাস এখন সবচেয়ে নিরাপদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিন শতাধিক কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করেন।
‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর যে কাজ করেছি, অন্য কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ১০৫ বছরেও তা করতে পারেনি।’ — সাদিক কায়েম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিক কায়েম (ডাকসু ভিপি)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান (পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ মাস, ১০৫ বছর, ৯৩ শতাংশ, ৩০০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!