📌 যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের এল নিনো সর্বকালের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র হতে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে খরা, উচ্চ তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর (মেট অফিস) সতর্ক করে জানিয়েছে যে, চলতি বছরের এল নিনো ঘটনা সর্বকালের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র হতে পারে। এই ঘটনার প্রভাব বিশ্বজুড়ে খরা, উচ্চ তাপমাত্রা, তীব্র বৃষ্টিপাত এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এল নিনোর প্রভাব সর্বকালের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর
- 📌 এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে খরা, উচ্চ তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
- 📌 এল নিনোর কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধির পূর্বাভাস
- 📌 যুক্তরাজ্যে শরৎ ও শীতকালে ভেজা ও ঝড়ো আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- 📌 এল নিনোর কারণে দক্ষিণ আমেরিকা ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তীব্র খরার আশঙ্কা
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের প্রধান দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞ অ্যাডাম স্কাইফ জানিয়েছেন, এল নিনোর প্রভাব এবার সর্বকালের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র হতে পারে। তিনি বলেন, "আমাদের স্পষ্টভাবে বলতে হবে যে এটি একটি অভূতপূর্ব ঘটনা। আমি আমাদের পূর্বাভাসে এল নিনোর এমন তীব্র সংকেত আগে কখনও দেখিনি।" স্কাইফ আরও জানান, যদি এই পূর্বাভাস সত্যি হয়, তাহলে ২০২৬ সাল এল নিনোর সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব ফেলবে।
এল নিনো ঘটনা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি করে। তবে ২০২৬ সালের এল নিনোর পূর্বাভাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। স্কাইফ বলেন, "এই তিন ডিগ্রি বৃদ্ধি আধুনিক জলবায়ু রেকর্ডে অভূতপূর্ব।"
এল নিনো ঘটনা প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অঞ্চলের অস্বাভাবিক উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার কারণে ঘটে থাকে, যা বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার ধরণকে প্রভাবিত করে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চরম জলবায়ু ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ায় ২ লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড দেখা দিয়েছে, যার ফলে স্পেন ও ফ্রান্সে কমপক্ষে ৩ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অন্য দেশগুলোতেও তীব্র খরা দেখা দিয়েছে।
"আমাদের স্পষ্টভাবে বলতে হবে যে এটি একটি অভূতপূর্ব ঘটনা।"
"আমি আমাদের পূর্বাভাসে এল নিনোর এমন তীব্র সংকেত আগে কখনও দেখিনি।"
"যদি এই পূর্বাভাস সত্যি হয়, তাহলে ২০২৬ সাল এল নিনোর সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব ফেলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডাম স্কাইফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!