📌 চীনের কমিউনিস্ট নেতা সি চিন পিংয়ের নতুন ‘জাতীয় সংহতি’ আইনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর মান্দারিন ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেও পশ্চিমা দেশগুলো নীরবতা পালন করছে
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে দেশটির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নতুন ‘জাতীয় সংহতি’ আইন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই আইনের মাধ্যমে মান্দারিন ভাষাকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। চীনের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশ অর্থাৎ সাড়ে ১২ কোটি মানুষ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর মান্দারিন ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে নতুন আইনের মাধ্যমে
- 📌 চীনের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশ অর্থাৎ সাড়ে ১২ কোটি মানুষ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য
- 📌 সি চিন পিংয়ের দাবি, নতুন আইনের মাধ্যমে দেশের ঐক্য জোরদার হবে এবং সবাইকে মূলধারায় যুক্ত করা যাবে
- 📌 তিব্বতি, মঙ্গোলীয় ও উইঘুরদের মতো জাতিগোষ্ঠীগুলো এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে
- 📌 মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নতুন আইনের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছে
- 📌 গত মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ কার্যালয়ের সামনে ‘ফ্রি তিব্বত’ আন্দোলনের কর্মী লোবগা রাংজেন গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন
📰 বিস্তারিত
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে দেশটির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নতুন ‘জাতীয় সংহতি’ আইন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই আইনের মাধ্যমে মান্দারিন ভাষাকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। চীনের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশ অর্থাৎ সাড়ে ১২ কোটি মানুষ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য। সি চিন পিংয়ের দাবি, নতুন আইনের মাধ্যমে দেশের ঐক্য জোরদার হবে এবং সবাইকে মূলধারায় যুক্ত করা যাবে। তিনি প্রায়ই বলেন, চীনের শক্তি বাড়াতে সব সংখ্যালঘু জাতিকে ‘ডালিমের দানার মতো একে অপরের সঙ্গে শক্ত করে জমে থাকতে হবে।’
তিব্বতি, মঙ্গোলীয় ও উইঘুরদের মতো জাতিগোষ্ঠীগুলো এই যুক্তি মানতে নারাজ। তারা নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতিকে ভালোবাসে। তাদের কাছে এটি জোরপূর্বক রূপান্তরের চেষ্টা বা একধরনের ‘জাতিগত নিধন’ ছাড়া আর কিছুই নয়। নতুন এই আইনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সরকারগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে, তবে তা খুব জোরালো নয়। মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অবশ্য বেশ কড়া ভাষায় এর নিন্দা করেছে।
গত মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কার্যালয়ের সামনে ‘ফ্রি তিব্বত’ আন্দোলনের কর্মী লোবগা রাংজেন নামের একজন গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সাময়িকভাবে তিব্বতের দিকে গিয়েছিল। তবে চীন সরকারের এমন নিষ্ঠুরতা নতুন কিছু নয়। তিব্বতে সর্বাত্মক দমন-পীড়ন আর সি চিন পিংয়ের বন্দিশিবিরগুলো তাঁর দীর্ঘদিনের ভিন্নমত দমনের চেষ্টার অংশমাত্র।
"চীন সরকারের নতুন আইন এবং এর কঠোর শাস্তি সি ও তাঁর দলের কর্তৃত্বকে আরও পোক্ত করবে। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত চীনা নাগরিকদেরও আইনের আওতায় আনা হয়েছে, যাতে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস না পান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীন, নিউইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সি চিন পিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শতাংশ, ১২ কোটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!