📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রকে সিরিয়াস হওয়ার আহ্বান, বাণিজ্য বিরোধে আলোচনা শুরু করতে বললেন

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রকে সিরিয়াস হওয়ার আহ্বান, বাণিজ্য বিরোধে আলোচনা শুরু করতে বললেন

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান বাণিজ্য বিরোধে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্রকে আরও গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কানাডা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, দেশটির সরকার বাণিজ্য বিরোধ সমাধানে যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে অহেতুক তর্জন-তর্ক করছে। মঙ্গলবার অটোয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যখন মিমস ও অপমান বন্ধ করে প্রকৃত আলোচনার দিকে মনোযোগ দেবে, তখনই কেবল দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, "যখন আমেরিকানরা মিমস করা, অপমান করা এবং কঠোর হওয়ার চেষ্টা করা বন্ধ করে প্রকৃত আলোচনার দিকে মনোযোগ দেবে, তখনই আমরা আলোচনা শুরু করতে পারব। এটা গঠনমূলক নয়, কিন্তু এটাই তাদের গণতন্ত্র।"

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্য বিরোধে আরও গুরুত্ব সহকারে আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর কর্মকর্তাদের অপমানজনক মন্তব্যের পাল্টা হিসেবে কার্নি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন
  • 📌 দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে কানাডায় জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে, যা গত দুই বছরে ১২ পয়েন্ট বেড়ে ৭৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে
  • 📌 আগস্টের ২২ তারিখে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কানাডীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে
  • 📌 কানাডা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সমপরিমাণ মূল্যের পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্প গত বছরের শেষ দিকে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে কানাডার বিভিন্ন পণ্যে একাধিকবার শুল্ক আরোপ করেন। সর্বশেষ আগস্টের ২২ তারিখে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কানাডীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। এর পাল্টা হিসেবে কানাডা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সমপরিমাণ মূল্যের পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।

কার্নি অভিযোগ করেন, আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের শেষ মুহূর্তের অন্যায্য দাবিই দায়ী। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন কানাডাকে অন্যান্য দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং কানাডার ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষাকারী আইন পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। কার্নি বলেন, "কানাডা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমরা যেসব দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে চাই, সেসব দেশের সাথে তা করব। অবশ্যই আমরা এমন শর্ত মেনে নেব না।"

এই বাণিজ্য বিরোধের ফলে কানাডায় জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাবাকাস ডেটার জুন মাসের এক জরিপে দেখা যায়, গত দুই বছরে জাতীয় গর্বের হার ১২ পয়েন্ট বেড়ে ৭৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কার্নির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নেওয়ার চাপ রয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাম্প গত ২৭ আগস্ট এক নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্টারিও হ্রদকে 'লেক আমেরিকা' নামে অভিহিত করার নির্দেশ দেন। ট্রাম্প সম্প্রতি এক রেডিও সাক্ষাৎকারে কানাডাকে বিশ্বের অন্যতম খারাপ দেশ বলে অভিহিত করেন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও কানাডার অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধ সামলানোর মতো শক্তিশালী নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "আমি মনে করি না আপনি এমন কারও সাথে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারবেন যার অর্থনীতি আপনার থেকে ১৩ গুণ বড়।"

"যখন আমেরিকানরা মিমস করা, অপমান করা এবং কঠোর হওয়ার চেষ্টা করা বন্ধ করে প্রকৃত আলোচনার দিকে মনোযোগ দেবে, তখনই আমরা আলোচনা শুরু করতে পারব। এটা গঠনমূলক নয়, কিন্তু এটাই তাদের গণতন্ত্র।"
"কানাডা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমরা যেসব দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে চাই, সেসব দেশের সাথে তা করব। অবশ্যই আমরা এমন শর্ত মেনে নেব না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অটাওয়া, কানাডা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ২০ বিলিয়ন ডলার, ১২ পয়েন্ট, ৭৭ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖