📌 কানাডায় এক মা তার অটিস্টিক ও বাকপ্রতিবন্ধী ছেলের সাথে যোগাযোগের জন্য নিজের হাতে স্থায়ী কীবোর্ডের ট্যাটু করিয়েছেন। প্রযুক্তির ব্যর্থতায় উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে এই অভিনব পদ্ধতি বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছে।
কানাডার এক মা তার ১১ বছর বয়সী অটিস্টিক ও বাকপ্রতিবন্ধী ছেলের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিজের হাতে স্থায়ী কীবোর্ডের ট্যাটু করিয়েছেন। ছেলে হান্টার যোগাযোগের জন্য বিশেষ ট্যাবলেট ব্যবহার করলেও একদিন রেস্তোরাঁয় ট্যাবলেটের চার্জ শেষ হয়ে গেলে সে একটি টিস্যু পেপারে কীবোর্ড এঁকে মাকে নিজের কথা জানায়। এই ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মা জেসিকা ফ্লেচার স্থায়ীভাবে হাতে কীবোর্ডের ট্যাটু করার সিদ্ধান্ত নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডায় অটিস্টিক ও বাকপ্রতিবন্ধী ছেলে হান্টারের সাথে যোগাযোগের জন্য মা জেসিকা ফ্লেচার হাতে কীবোর্ডের ট্যাটু করান
- 📌 হান্টারের বয়স ১১ বছর এবং সে যোগাযোগের জন্য বিশেষ ট্যাবলেট ব্যবহার করত
- 📌 রেস্তোরাঁয় ট্যাবলেট চার্জ শেষ হয়ে গেলে হান্টার টিস্যু পেপারে কীবোর্ড এঁকে মাকে নিজের কথা জানায়
- 📌 ট্যাটুতে অক্ষরের পাশাপাশি হাসিমুখ, বিষণ্ণ মুখ ও ভালোবাসার প্রতীক চিহ্ন রয়েছে
- 📌 ট্যাটুর মাধ্যমে হান্টার প্রথম 'মামা' শব্দটি মাকে জানিয়েছিল
📰 বিস্তারিত
কানাডায় বসবাসরত জেসিকা ফ্লেচার তার ছেলে হান্টারের সাথে যোগাযোগের জন্য অভিনব এক পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। অটিজম ও বাকপ্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত হান্টার সাধারণভাবে কথা বলতে পারে না। ফলে যোগাযোগের জন্য সে একটি বিশেষ ট্যাবলেট ব্যবহার করত, যার মাধ্যমে তার কথা টেক্সট থেকে স্পিচে রূপান্তরিত হতো। তবে একদিন রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে ট্যাবলেটটির চার্জ শেষ হয়ে গেলে হান্টার অসহায় হয়ে পড়ে। সে তখন একটি টিস্যু পেপারে নিজের মতো করে কীবোর্ড এঁকে মাকে নিজের কথা জানায়।
এই ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে জেসিকা স্থায়ীভাবে হাতে কীবোর্ডের ট্যাটু করার সিদ্ধান্ত নেন। ট্যাটুতে ইংরেজি অক্ষরের পাশাপাশি হাসিমুখ, বিষণ্ণ মুখ এবং ভালোবাসার প্রতীক চিহ্নও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হান্টার এখন নীরবে মায়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। প্রথমবার ট্যাটু ব্যবহারের মাধ্যমে হান্টার 'মামা' শব্দটি মাকে জানিয়েছিল।
জেসিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ট্যাটু ব্যবহারের একটি ভিডিও শেয়ার করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। লাখ লাখ মানুষের নজর কাড়ে তার এই অভিনব উদ্যোগ। হান্টারের স্কুলের বন্ধুরাও তার সাথে খেলার সময় কথা বলার জন্য কীবোর্ড ছাপানো শার্ট পরার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসক, নার্স ও অভিভাবকরাও বাকপ্রতিবন্ধীদের সাথে যোগাযোগের এই অভিনব পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
"ছেলে যদি এর মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে, তবে তার জন্য আমি এমন হাজারো কষ্ট সহ্য করতেও রাজি আছি।" — জেসিকা ফ্লেচার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কানাডা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জেসিকা ফ্লেচার, হান্টার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!