📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। কর্মকর্তারা এলাকাবাসীকে সচেতন করার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে জোর দিয়েছেন
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরীর ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হয় এবং লার্ভা নিধনে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। একইসঙ্গে স্থানীয়দের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি চালানো হয়
- 📌 মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস ও লার্ভা নিধনে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়
- 📌 ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়
- 📌 চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরীর তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি চালানো হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া লার্ভা নিধনে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়। একইসঙ্গে মশার প্রজননস্থল সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
কর্মসূচিতে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুধু সিটি করপোরেশনের প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য নগরবাসীকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন স্থাপনা ও আশপাশের এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমিয়ে একটি নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে চাই।’
‘ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।’ — ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (ওয়ার্ড), ৩ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!