📌 নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে জোটের নেতারা যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত হয়েছেন। তারা পশ্চিমাদের একপক্ষীয় নীতির বিরুদ্ধে ঐক্য প্রদর্শন ও আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডব্লিউটিও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। ইরান-আমিরাত দ্বন্দ্ব মোকাবেলায়ও ঐক্যমত্য পেয়েছেন তারা
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে জোটের নেতারা যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত হয়েছে। এই ঐক্যমত্য ঘোষণাপত্রে পশ্চিমাদের একপক্ষীয় নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে ব্রিকস জোটের ঐক্য প্রদর্শনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থাগুলোর সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে আনতে ব্রিকসের নেতারা সফল হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রিকস নেতারা যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত হয়েছেন, যেখানে পশ্চিমাদের একপক্ষীয় নীতির তীব্র নিন্দা করা হয়েছে
- 📌 আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডব্লিউটিও সংস্কারের দাবি জানিয়ে ব্রিকস জোটের সদস্যরা বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে
- 📌 ইরান যুদ্ধের কারণে ইরান ও আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিত থাকা সত্ত্বেও ব্রিকস তাদের দ্বন্দ্ব মোকাবেলায় ঐক্যমত্য পেয়েছে
- 📌 ব্রিকসের সদস্যরা বিশ্ব জনসংখ্যার ৪০% এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় ২৫% নিয়ন্ত্রণ করে
- 📌 ২০২৭ সালে ব্রিকস সম্মেলন চীনে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই নেতারা যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত হয়েছেন। এই ঘোষণাপত্রে পশ্চিমাদের একপক্ষীয় যুদ্ধ নীতির তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। ব্রিকস জোটের সদস্যরা বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। তারা বিশ্বাস করে, এই সংস্থাগুলোতে পশ্চিমা শক্তির প্রভাব বেশি রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে ব্রিকসের নেতারা সফল হয়েছে বলে জানা গেছে। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে আনতে তারা একটি কূটনৈতিক ভাষা চূড়ান্ত করেছেন, যা উভয় পক্ষই মেনে নিতে পারছে। গত মে মাসে ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান ও আমিরাতের মতভেদের কারণে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে এইবার নেতারা ঐক্যমত্য পেয়েছেন।
ব্রিকস জোটের সদস্যরা বিশ্ব জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিল রামাফোসা, আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানসহ অনেকে।
ব্রিকস জোটের সদস্যরা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও ডব্লিউটিও সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। তারা বিশ্বাস করে, এই সংস্থাগুলোতে পশ্চিমা শক্তির প্রভাব বেশি রয়েছে। ব্রিকস জোটের নেতারা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও ডব্লিউটিও সংস্কারের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
"পশ্চিমা নিয়মকানুন থেকে মুক্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির জন্য ব্রিকস জোটের একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা উচিত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি (ভারত), লোহিত সাগর অঞ্চল (ইরান-আমিরাত সংঘাত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিশ্ব জনসংখ্যার ৪০%+ (ব্রিকস সদস্য), বৈশ্বিক অর্থনীতির ২৫% (ব্রিকস সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!