📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বোম্বে হাইকোর্ট স্থগিত করে ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নির্দেশ: আদালত নিশ্চিত করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না

বোম্বে হাইকোর্ট স্থগিত করে ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নির্দেশ: আদালত নিশ্চিত করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের বিরুদ্ধে জারি করা ভারত ছাড়ার নির্দেশের কার্যকারিতা স্থগিত করে। আদালত নিশ্চিত করেছে যে, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ইমরান দাবি করেছেন, তিনি কোনো আইনি লঙ্ঘন করেননি এবং নির্দেশটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের বিরুদ্ধে জারি করা ভারত ছাড়ার নির্দেশের কার্যকারিতা স্থগিত করে দিয়েছে। আদালতের নির্দেশে, অভিনেতা ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়তে বাধ্য হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বাতিল হয়ে গেছে। আদালতের প্রধান বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী ও বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার ডিভিশন বেঞ্চ ২ নভেম্বর বেলা ৩টায় পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইমরান খানের বিরুদ্ধে জারি করা ভারত ছাড়ার নির্দেশ স্থগিত করা হয়েছে।
  • 📌 আদালত নিশ্চিত করেছে, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
  • 📌 ইমরান দাবি করেছেন, তিনি কোনো আইনি লঙ্ঘন করেননি এবং নির্দেশটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
  • 📌 ইমরান খানের সঙ্গে ছিলেন লেখা ওয়াশিংটন, মা নুজহাত ও চাচাতো বোন জয়ন মেরি খানসহ আরও কয়েকজন।
  • 📌 ইমরানকে মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে পুলিশ আটক করেছিল।

📰 বিস্তারিত

বোম্বে হাইকোর্টের শুনানিতে ইমরান খানের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ভেঙ্কটেশ ধোন্দ জরুরি প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন দপ্তর (এফআরআরও) জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী বুধবারের মধ্যে ভারত ছাড়তে হতো অভিনেতাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং শুনানির জন্য সময় চান। তিনি আদালতকে আশ্বস্ত করেন, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ইমরানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। আদালত মামলাটি ২ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করে এবং নির্দেশটির কার্যকারিতা স্থগিত রাখেন।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছিল ১৫ অক্টোবর। অভিযোগ ছিল, তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন। ইমরানের দাবি, তিনি কোনো আইনি লঙ্ঘন করেননি। তিনি বলেন, তাঁকে আগে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়নি। ইমরান আরও দাবি করেছেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময় সেখানে কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছিল না। তিনি পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করেননি। বরং নিজের গাড়িতে ফেরার সময় সংবাদকর্মীরা তাঁকে ঘিরে ধরলে পুলিশ তাঁকে আটক করে বলে দাবি করেছেন তিনি।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে নির্দেশ জারি করার পেছনে বিজেপি নেতা কিরীট সোমাইয়ার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। তিনি ইমরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিদেশি নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও ইমরান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন। ইমরান নির্দেশটিকে ‘স্বেচ্ছাচারী, বেআইনি, বিকৃত ও কঠোর’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আদালতের কাছে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা চেয়েছেন এবং নির্দেশটি বাতিলের দাবি করেছেন। ইমরান বলেছেন, তিনি ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের অধিকারী এবং কোনো অপরাধের পূর্ব ইতিহাস নেই।

"আইনি বিধান ভঙ্গের অভিযোগে আমাকে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে, কিন্তু নির্দেশে তা স্পষ্ট করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি। এই নির্দেশ আমার সমতা ও জীবন-ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার ক্ষুণ্ন করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুম্বাই, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান খান, মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী, অনিল সিং, ভেঙ্কটেশ ধোন্দ, জ্ঞানেশ কুমার, কিরীট সোমাইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ২ নভেম্বর, ৩ টা, ১৫ অক্টোবর, ১০ অক্টোবর, ১৭ অক্টোবর, ১৪ ও ২১ অনুচ্ছেদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖