📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ফ্লাভিও বলসোনারো নিজের স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে পৌঁছেছেন। অর্থ পাচার তদন্তের ভয়ে দেশত্যাগের পথ নিয়েছেন তিনি। নির্বাচনে ৫১.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছেন লুলা দা সিলভা, বলসোনারো পেয়েছেন ৪৮.২ শতাংশ
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ফ্লাভিও বলসোনারো নিজের পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। নির্বাচনের পরাজয় মেনে না নেওয়ার কারণে এবং অর্থ পাচার তদন্তের ভয়ে তিনি দেশত্যাগের পথ নিয়েছেন। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পরই তিনি আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডর হয়ে মায়ামিতে পৌঁছেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে ৫১.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছেন লুলা দা সিলভা, বলসোনারো পেয়েছেন ৪৮.২ শতাংশ — ৪৪ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।
- 📌 ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েসের নির্দেশে বলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়, তদন্তের ভয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালান।
- 📌 বলসোনারোর বন্ধু উইলারের তমাজও দুই সপ্তাহ আগে ব্রাজিল ছেড়ে চলে গেছেন মায়ামিতে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর নিশ্চিত করেছে, বলসোনারো ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দেওয়া হয়েছে।
- 📌 নির্বাচনের পরাজয় মেনে না নেওয়ার কারণে বলসোনারো নির্বাচন বাতিলের দাবি করেছেন।
- 📌 ব্রাজিলের অনেক ভোটার বলসোনারোর দেশত্যাগকে "কাপুরুষতা" বলে অভিহিত করেছেন।
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ফ্লাভিও বলসোনারো নিজের স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামিতে পৌঁছেছেন। নির্বাচনের পরাজয় মেনে না নেওয়ার কারণে এবং অর্থ পাচার তদন্তের ভয়ে তিনি দেশত্যাগের পথ নিয়েছেন। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েসের নির্দেশে বলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়। তদন্তের মুখে তিনি দেশ ছেড়ে পালাতে পারেন বলে আশঙ্কা করেছিলেন বিচারপতি।
বলসোনারোর বন্ধু উইলারের তমাজও দুই সপ্তাহ আগে ব্রাজিল ছেড়ে চলে গেছেন মায়ামিতে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বলসোনারো ও তাঁর পরিবার আর্জেন্টিনা হয়ে ইকুয়েডর হয়ে মায়ামিতে পৌঁছেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর নিশ্চিত করেছে, বলসোনারো ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে মায়ামির কাছে ওপা-লকায় নির্বাহী বিমানবন্দরে পৌঁছান তাঁরা।
ব্রাজিলের নির্বাচনে লুলা দা সিলভা ৫১.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছেন, বলসোনারো পেয়েছেন ৪৮.২ শতাংশ। ভোটের ব্যবধান ছিল ৪৪ লাখেরও বেশি। নির্বাচনের পরাজয় মেনে না নেওয়ার কারণে বলসোনারো নির্বাচন বাতিলের দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তি ছিল রোববার ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের শেষ মুহূর্তের একটি সিদ্ধান্ত। তবে সরকারি হিসাব বলছে, বাড়তি দুই ঘণ্টায় মাত্র ৩৫ হাজারেরও কম ভোট পড়েছে।
ব্রাজিলের অনেক ভোটার বলসোনারোর দেশত্যাগকে "কাপুরুষতা" বলে অভিহিত করেছেন। সাও পাওলোর ৩৬ বছর বয়সী ক্রিস্তিয়ানা কুনহা বলেছেন, ‘নিজের কাজের পরিণতির মুখোমুখি হতে না চাওয়া একজন কাপুরুষের মতো আচরণ করছেন তিনি।’ অন্যদিকে, সাও পাওলোর ৪৫ বছর বয়সী মনোবিশ্লেষক প্রিসিলা কারদোসো বলেছেন, ‘এটা একটা প্রহসন। নর্দমা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া পরজীবীর মতো।’
"নিজের কাজের পরিণতির মুখোমুখি হতে না চাওয়া একজন কাপুরুষের মতো আচরণ করছেন তিনি।"
"এটা একটা প্রহসন। নর্দমা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া পরজীবীর মতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র (মায়ামি), আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর (গুয়ায়াকিল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্লাভিও বলসোনারো, লুলা দা সিলভা, আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েস, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১.৮%, ৪৮.২%, ৪৪ লাখ, ৩৫ হাজার, ৩৬ বছর, ৪৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!