📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের সমুদ্রহামলায় নাবিকদের হতাহত: সেন্টকমের অভিযোগ ও তেহরানের প্রতিক্রিয়া

ইরানের সমুদ্রহামলায় নাবিকদের হতাহত: সেন্টকমের অভিযোগ ও তেহরানের প্রতিক্রিয়া

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ইরান গত কয়েক মাসে ২০ জনের বেশি নাবিককে হত্যা করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই দাবি অস্বীকার করেছেন। উপসাগরীয় দেশগুলোও ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ তুলেছে

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সোমবার (২ নভেম্বর) ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলে ধরেছে। তারা দাবি করেছে, গত কয়েক মাসে ইরান সমুদ্রে বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ২০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। এছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর বেসামরিক অবকাঠামো, আবাসিক এলাকা ও বিভিন্ন স্থাপনাতেও ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০ জনের বেশি নাবিক নিহত: সেন্টকমের দাবি, ইরান গত কয়েক মাসে সমুদ্রে বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ২০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে।
  • 📌 ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অস্বীকার: আব্বাস আরাঘচি দাবি অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, ইরান কখনোই প্রতিবেশী দেশগুলোর বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়নি।
  • 📌 আইএমওর তথ্য মেলে না: আন্তর্জাতিক নৌসংস্থা (আইএমও) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে ৬৮টি ঘটনায় ২০ জন নাবিক নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছে। তবে এতে ইরান ও মার্কিন উভয় পক্ষের হামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
  • 📌 উপসাগরীয় দেশগুলোর অভিযোগ: সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে জ্বালানি অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তুলেছে।
  • 📌 মার্কিন সতর্কতা: মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটন উপসাগরীয় দেশগুলোর সতর্ক করেছে।

📰 বিস্তারিত

সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইরানের নির্বিচার আগ্রাসন স্পষ্ট এবং কোনোভাবেই ক্ষমাযোগ্য নয়’। তবে তারা নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার বিবরণ, জাহাজের নাম বা হতাহতের সংখ্যা নির্ধারণের পদ্ধতি তুলে ধরেনি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেন্টকমের দাবিকে ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান কখনোই প্রতিবেশী দেশগুলোর বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়নি।

গত মার্চে, আল-আরাবি আল-জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেছিলেন, ইরান কোনো আবাসিক-বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়নি। তিনি উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, ইরান আরব দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে না; বরং সেসব দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক নৌসংস্থা (আইএমও) এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি, যা সেন্টকমের দাবির সঙ্গে সরাসরি মেলে। বার্তা সংস্থা এএফপি'র ২৫ আগস্টের প্রতিবেদনে আইএমও'র সর্বশেষ প্রকাশিত হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ছয় মাসের যুদ্ধ চলাকালে হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে ৬৮টি ঘটনায় অন্তত ২০ জন নাবিক ও বন্দরকর্মী নিহত, ৩৫ জন আহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন। তবে এসব ঘটনায় কারা দায়ী, তা নির্দিষ্ট করেনি আইএমও। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) কেন্দ্রের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ওই ৬৮টি ঘটনার মধ্যে ৪৭টিকে হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ইরানের বণিক নাবিক ইউনিয়ন আলজাজিরাকে জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ এপ্রিলের মধ্যে ইরানের বন্দর ও জাহাজে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির অন্তত ৪৪ জন নাবিক, জেলে ও ডককর্মী নিহত হয়েছেন। উপসাগরীয় দেশগুলোরও অভিযোগ রয়েছে যে, ইরান তাদের জ্বালানি অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ বলেছেন, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যাপকতা দেশটির কেবল মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

“ইরানের নির্বিচার আগ্রাসন স্পষ্ট এবং কোনোভাবেই ক্ষমাযোগ্য নয়।”

গত মার্চে, উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের সামরিক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে কট্টরপন্থিদের সমালোচনার মুখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই বক্তব্য প্রত্যাহার করেন তিনি। এদিকে, সমুদ্রপথে জাহাজে হামলার ঘটনাও থেমে নেই। রোববার সৌদি আরবের রাস আল-খাফজি বন্দরের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকার হামলার শিকার হয়েছে বলে ইউকেএমটিওর প্রকাশিত মানচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কারা হামলা চালিয়েছে, তা পর্যালোচনা করা সূত্রগুলোতে উল্লেখ করা হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, উপসাগরীয় অঞ্চল, সৌদি আরবের রাস আল-খাফজি বন্দর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্বাস আরাঘচি (ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), মাসুদ পেজেশকিয়ান (ইরানের প্রেসিডেন্ট), আনোয়ার গারগাশ (সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনৈতিক উপদেষ্টা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন (নাবিক নিহত), ৩৫ জন (আহত), ৬৮টি (ঘটনা), ৪৭টি (হামলা), ৪৪ জন (ইরানের নাবিক নিহত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖