📌 বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। গঙ্গার পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী রোববার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন। আলোচনায় গঙ্গা নদীর (বাংলাদেশে পদ্মা) পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও বিহারের বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান চৌধুরী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন
- 📌 গঙ্গা নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ চেয়েছেন
- 📌 ফোনালাপে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন
- 📌 বিহারের রাজনৈতিক জনতা দল-ইউনাইটেডের সাংসদ সঞ্জয় ঝা ফারাক্কা চুক্তির নবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
📰 বিস্তারিত
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী রোববার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। আলোচনায় তিনি গঙ্গা নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও বিহারের বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘গঙ্গা নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আজ আমি পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি।’
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা ব্যারাজের গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ সহজ হবে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।’
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’
এ দিকে বিহারের রাজনৈতিক জনতা দল-ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সাংসদ সঞ্জয় ঝা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ফারাক্কা ব্যারাজ চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, চুক্তিটি নবায়নের আগে বিহারের স্বার্থ অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। সঞ্জয় ঝা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন? সেই সময়ই বিহারের স্বার্থ বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ওই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হবে। তাই বিহারের স্বার্থ বিবেচনা না করে চুক্তিটি নবায়ন না করার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
‘এই চুক্তির ৩০ বছর আগামী ডিসেম্বরে পূর্ণ হচ্ছে। আমরা সরকারকে অনুরোধ করেছি, এটি যেন নবায়ন করা না হয়। বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার পরই এ বিষয়ে আলোচনা করা উচিত।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিহার, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সম্রাট চৌধুরী, শুভেন্দু অধিকারী, সঞ্জয় ঝা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (বছর), ৫৪ (টি অভিন্ন নদী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!