📌 বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় ইজারা ব্যবসায় লাখ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ও বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জেলেদের মাছ ধরার অধিকার হরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি রাজস্বের নামে চলা এই অবৈধ কার্যক্রমে জেলেরা মানববন্ধন পর্যন্ত করেছেন
বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে জেলেদের মাছ ধরার অধিকার থাকলেও স্থানীয় প্রভাবশালী ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইজারা ব্যবসায় লাখ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। উপকূলের বিভিন্ন চর ও ডুবোচরে মাছ ধরার অনুমতি দেয়ার নামে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলেরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বঙ্গোপসাগরের তুফানিয়া চরসহ বিভিন্ন চরে ইজারা ব্যবসায় লাখ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ
- 📌 প্রভাবশালী মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চর ইজারা নিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগ
- 📌 জেলে জাকির মাঝির অভিযোগ: প্রতি বৈশাখে লাখ লাখ টাকা দিয়ে চর ইজারা নেয়া হয়
- 📌 বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা শোয়েব খানের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
- 📌 সরকারি রাজস্ব হিসেবে মাত্র ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে লাখ লাখ টাকার ব্যবসা
📰 বিস্তারিত
বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় জেলেদের মাছ ধরার অধিকার হরণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। তুফানিয়া চর সংলগ্ন এলাকায় প্রভাবশালী মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চর ইজারা নিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগ করেছেন জেলেরা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রতি বৈশাখে লাখ লাখ টাকা নিয়ে চর ইজারা দেন এবং অন্য জেলেদের মাছ ধরতে বাধা দেন। জেলে জাকির মাঝি বলেন, ‘প্রতি বৈশাখে লাখ লাখ টাকা দিয়ে চরটা এক বছরের জন্য নিয়ে নিই। এক বছরের মধ্যে এই চরে অন্য কেউ মাছ ধরতে পারবে না।’
এছাড়া রাঙ্গাবালীর সোনারচর, চরহেয়ার, চর কাশেম, জাহাজমারা, মায়ার চর, গ্যাপের চরসহ বিভিন্ন চরে একই অভিযোগ উঠেছে। জেলেরা জানান, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে প্রভাবশালীরা এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা বলেন, ‘বিট অফিসারকে টাকা দিয়ে ডাক নিতে হয়। যে টাকা দিয়ে নিতে পারে, তাকে মাছ ধরতে দেয়।’
সম্প্রতি বন বিভাগের মৌডুবী বিট কর্মকর্তা শোয়েব খানের বিরুদ্ধে শতাধিক জেলের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠে। অভিযোগের পর তাকে বদলি করা হলে জেলেরা টাকা ফেরত ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন। তারা বলেন, ‘তাকে টাকা না দিলে কেউ সেখানে মাছ শিকার করতে পারে না।’
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে সময় সংবাদের ক্যামেরা দেখে পালানোর চেষ্টা করেন শোয়েব খান। পরে তিনি দাবি করেন, রাজস্ব আদায়ের বিনিময়ে সমুদ্রে মাছ ধরার অনুমতি দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে তার। তিনি বলেন, ‘আমরা পারমিট দিয়েছি। রাজস্ব আদায়ের বিনিময়ে আবেদন সাপেক্ষে পারমিট দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তুফানিয়া চর, রাঙ্গাবালী, বঙ্গোপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রভাবশালী মোশাররফ হোসেন, জেলে জাকির মাঝি, বন কর্মকর্তা শোয়েব খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, অর্ধকোটি টাকা, ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা, ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা, ৩০টির বেশি চর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!