📌 বিহারের গয়ায় মহিষের মালিকানা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর বিরোধের নিষ্পত্তিতে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। মহিষটির মায়ের সঙ্গে ডিএনএ মিলিয়ে প্রকৃত মালিক নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইজি বিকাশ বৈভব।
বিহারের গয়া জেলায় মহিষের মালিকানা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র বিরোধের অবসান ঘটাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পুলিশ মহাপরিদর্শক বিকাশ বৈভব। মহিষটির প্রকৃত মালিক নির্ধারণে প্রাণীটির ডিএনএ পরীক্ষা করে তার মায়ের সঙ্গে তুলনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মহিষটির মালিকানা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তিতে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পুলিশের
- 📌 মহিষটির মায়ের সঙ্গে ডিএনএ মিলিয়ে প্রকৃত মালিক নির্ধারণের পরিকল্পনা
- 📌 প্রকাশ মাঞ্জি দায়ের করেছেন এসসি/এসটি আইনের মামলা
- 📌 ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল মহিষ চুরির অভিযোগ থেকে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহিষটির ছবি ভাইরাল হওয়ার পর ঘটনাটি আলোচিত হয়
📰 বিস্তারিত
বিহারের গয়া জেলার উত্তর গ্রামের বাসিন্দা সুরজ যাদব মহিষ চুরির অভিযোগ নিয়ে অত্রি থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তে পুলিশ পার্শ্ববর্তী নৌরঙ্গা গ্রামের প্রকাশ মাঞ্জির বাড়িতে মহিষটি খুঁজে পায় এবং তা সুরজের কাছে হস্তান্তর করে। তবে প্রকাশ মাঞ্জি মহিষটির প্রকৃত মালিক হওয়ার দাবি তুললে ঘটনা নতুন মোড় নেয়। পরবর্তীতে পুলিশ মহিষটিকে পুনরায় থানায় নিয়ে আসে এবং দুই দিন সেখানে রাখার পর তা আবার সুরজের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মহিষটির মালিকানা নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি আইনি জটিলতাও তৈরি হয়। প্রকাশ মাঞ্জি অত্রি থানায় সুরজ যাদবের বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন। বাথানি এলাকার ডিএসপি সুরেন্দ্র কুমার জানান, মহিষটির মালিকানা নিয়ে বাদানুবাদের সময় সুরজ মাঞ্জিকে উদ্দেশ করে জাতিগত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মহিষটির প্রকৃত মালিক নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগের নির্দেশ দেন আইজি বিকাশ বৈভব। তিনি জানান, মহিষটির মা এখনও জীবিত এবং অন্য এক গ্রামবাসীর বাড়িতে রয়েছে। মহিষটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তার মায়ের ডিএনএর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। ফলে মহিষটির বংশপরিচয় নিশ্চিত করা গেলে মালিকানা-সংক্রান্ত দাবির তদন্তেও তা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
"উভয় পক্ষই মহিষটির মালিকানা দাবি করায় বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিষয়টির নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহিষটির মায়ের সঙ্গে ডিএনএ মিলিয়ে প্রকৃত মালিক নির্ধারণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গয়া, বিহার, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইজি বিকাশ বৈভব, সুরজ যাদব, প্রকাশ মাঞ্জি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই দিন থানায় মহিষ রাখা হয়েছিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!