📌 অনুমোদনহীন মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রলোভনে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কায় সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বিএফআইইউ জানিয়েছে, এসব অ্যাপ ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে
অনুমোদনহীন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমে সহজ শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভনে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ঋণ আদায়ের নামে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএফআইইউ জানিয়েছে, অনুমোদনহীন মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রলোভনে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে
- 📌 এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, যোগাযোগ তালিকা ও স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করছে
- 📌 ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর অযাচিত চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না
- 📌 বিএফআইইউ ৩১টি অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপের নাম প্রকাশ করেছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) জানিয়েছে, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমে সহজ শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনুমোদনবিহীন ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, মুঠোফোনের যোগাযোগ তালিকা, ছবি ও অন্যান্য স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করছে। পরবর্তী সময়ে ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর অযাচিত চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের হুমকি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ও প্রচলিত আইন-বিধি অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২(শ)(৫) ধারা অনুযায়ী প্রতারণামূলকভাবে ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ মানি লন্ডারিং-সম্পৃক্ত অপরাধ এবং একই আইনের ৪ নম্বর ধারায় শাস্তিযোগ্য।
সাধারণ মানুষকে চারটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছে সংস্থাটি—কোনো মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ নেওয়া থেকে বিরত থাকা; প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ শাস্তিযোগ্য অপরাধ জেনে এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত না হওয়া; অপরিচিত কোনো অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি বা মুঠোফোনের সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়া; এবং ঋণ দেওয়ার আগে অগ্রিম অর্থ, নিবন্ধন ফি বা প্রসেসিং ফি দাবি করা হলে সতর্ক থাকা।
"বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২(শ)(৫) ধারা অনুযায়ী প্রতারণামূলকভাবে ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ মানি লন্ডারিং-সম্পৃক্ত অপরাধ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএফআইইউ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১টি অননুমোদিত অ্যাপ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি সতর্কতা বিষয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!