📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দেশের দ্বিতীয় অর্ডন্যান্স উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা করেছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বৃহস্পতিবার এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে দেশের দ্বিতীয় অর্ডন্যান্স উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিটিএমসি থেকে সেনাবাহিনীর কাছে জমি ও স্থাপনা হস্তান্তরের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের দ্বিতীয় অর্ডন্যান্স উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে
- 📌 নতুন কারখানায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ছাড়াও পুলিশ ও আনসারসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন করা হবে
- 📌 দেশের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত উৎপাদন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 কারখানাটি স্থাপিত হচ্ছে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জলিল টেক্সটাইল মিলের প্রায় ৫৫ একর জমিতে
- 📌 সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে
📰 বিস্তারিত
দেশীয় সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দ্বিতীয় অর্ডন্যান্স উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ফৌজদারহাটে বিটিএমসি থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে জমি ও স্থাপনা হস্তান্তরের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন ব্যতীত যুদ্ধ পরিচালনা সম্ভব নয়। ফলে প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন কারখানাটি স্থাপিত হচ্ছে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জলিল টেক্সটাইল মিলের প্রায় ৫৫ একর জমি ও স্থাপনায়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত উৎপাদন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। এতে একদিকে সমরাস্ত্র আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে প্রতিরক্ষা পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
নতুন কারখানায় উৎপাদিত সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরিধি বিস্তৃত হবে। তিন সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, আনসার-ভিডিপিসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও আধা-সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করা হবে। ফলে দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থার আওতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংকটকালীন সময়ে বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
"শুধু বিদেশ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ আমদানি করে যুদ্ধ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। নিজেদের প্রয়োজনীয় ফায়ারিং সরঞ্জাম ও সামরিক উপকরণ নিজেদেরই উৎপাদন করতে হবে। এ কারণে প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ একর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!