📌 দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে বাংলাদেশের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয় পাকিস্তান স্পিকারের দিকে। আলোচনা কেন্দ্রীভূত হয় পার্লামেন্টারি ডিপ্লোমেসি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর
দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের (সিপিসি) উদ্বোধনের পূর্বে বাংলাদেশের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সাংসদীয় প্রতিনিধিদল দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর আলোচনা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের** উদ্বোধনের পূর্বে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 **পার্লামেন্টারি ডিপ্লোমেসি** ও সাংসদীয় কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে দু’দেশের সংসদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা ও তথ্য আদান-প্রদানের প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়
- 📌 **বৈঠকের শেষে** বাংলাদেশের ডেপুটি স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিককে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান, যিনি পাকিস্তানের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাবর্তন করেন
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান** বলেছেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে
- 📌 **বৈঠকে উপস্থিত** ছিলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সাংসদীয় প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা
📰 বিস্তারিত
৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের (সিপিসি) উদ্বোধনের পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সাংসদীয় প্রতিনিধিদল দু’দেশের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন করে সুদৃঢ় করার জন্য পার্লামেন্টারি ডিপ্লোমেসির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংসদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা, তথ্য আদান-প্রদান, প্রতিনিধিদল বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বৈঠকের শেষে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সরদার আয়াজ সাদিককে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। পাকিস্তানের স্পিকারও বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পক্ষ থেকে সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাবর্তন করেন।
বৈঠক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষ্যমতে, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানানো হয়।
"জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন, ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বাংলাদেশের ডেপুটি স্পিকার), সরদার আয়াজ সাদিক (পাকিস্তানের স্পিকার), প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯ (৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!