📌 বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই বিষয়ে আলোচনা করেন। উভয় পক্ষ জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও বাণিজ্য সহযোগিতার উপর জোর দেন
বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন উচ্চতা নিয়ে যাবে জোরালো সহযোগিতা। বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 প্রতিমন্ত্রী ফ্রান্সের সহায়তা ও বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ফ্রান্সের অবদানের প্রশংসা করেন এবং বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে সহযোগিতা জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- 📌 উভয় পক্ষ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (UNGA) অধিবেশনে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও বহুপাক্ষিক বিষয়ে একমত হন।
- 📌 প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে ফরাসি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান এবং অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য শক্তি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সুযোগ তুলে ধরেন।
- 📌 ১৩ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশে ফ্রান্সের মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন উভয় পক্ষ। তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে একত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
- 📌 ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কারের পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফ্রান্সের প্রস্তুতির কথা জানান।
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাৎকালে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে দায়িত্ব গ্রহণের অভিনন্দন জানান। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে সরকারের পদক্ষেপ এবং ফ্রান্সের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্রান্সের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে—বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, বিমান চলাচল, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উভয় পক্ষ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) আসন্ন অধিবেশনে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা করেন। তারা জলবায়ু পরিবর্তন, বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আরও বেশি ফরাসি বিনিয়োগের আহ্বান জানান এবং অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য শক্তি, মহাকাশ গবেষণা, প্রযুক্তি ও ওষুধ শিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের বিষয়ে বাংলাদেশের ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতির কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি ফ্রান্সের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা জানান। রাষ্ট্রদূত সেরে-শার্লে ফ্রান্সের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষই বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১৩ লাখ রোহিঙ্গাের জন্য ফ্রান্সের মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন এবং তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে একত্রে কাজ করার বিষয়ে তাদের প্রস্তুতির কথা জানান।
"বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে সরকারের পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করছি। ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে আরও জোরালো সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৩ লাখ রোহিঙ্গা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!